৭ বছর ধরে জামায়াতের বিচার ঝুলে থাকায় ক্ষুব্ধ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

|

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে রাজনৈতিক সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর বিচার যত দ্রুত সম্ভব প্রকাশ্য আদালতে শুরুর দাবি জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। সেই সাথে মুক্তিযুদ্ধের সময় দলটির সাথে যে সংগঠন বা ব্যক্তিরা জড়িত ছিল তাদেরও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ব্যক্তির পাশাপাশি সংগঠনের বিচার করতে পরিবর্তন করা হয় আইন। সেই আইনেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বিভিন্ন মামলার রায়ের পর্যবেক্ষণে জামায়াতকে একটি অপরাধী সংগঠন উল্লেখ করা হয়।

তারই প্রেক্ষিতে তাদের অপকর্ম নিয়ে শুরু হয় তদন্ত। সেই তদন্ত প্রতিবেদন ২০১৪ সালে দাখিল করা হলেও ৭ বছরেও শুরু হয়নি বিচারকাজ। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তদন্ত সংস্থা।

ধানমণ্ডিতে এক সংবাদ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যনালের তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক এম সানাউল হক বলেন, সংগঠনের শাস্তি কী হবে, সেটা আইনে স্পষ্ট না থাকায় রিপোর্টটিকে চার্জ গঠনের জন্য ট্রাইব্যুনালে উত্থাপন করা হয়নি বলে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আমাদের জানানো হয়েছে।

ব্যক্তির দায় সংগঠন এড়াতে পারে না বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই সংগঠনের সেই সময়ে যে সমস্ত অঙ্গ সংগঠন বা যে সমস্ত ব্যক্তিবর্গ জড়িত ছিলেন, তাদের সবারই বিচার হয়। তাদের সবার ওপরই এই অপরাধের দায় চলে আসে।

জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতাকে সমূলে উৎপাটন ও দলটির স্বরূপ উদঘাটনের জন্য রিপোর্টটির অবিলম্বে যথাযথ নিরীক্ষণপূর্বক এই বিচারটি প্রকাশ্য আদালতে করার দাবি জানান সানাউল হক।

২০১৩ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করেন হাইকোর্ট। এরপর ৮ বছর পেরিয়ে গেলেও বিষয়টি ঝুলে আছে আপিল বিভাগে।


সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply