কেন অস্থির পুঁজিবাজার?

|

নিয়ন্ত্রক সংস্থার সমন্বয়হীনতা এবং গুজবের কারণে অস্থিরতা চলছে পুঁজিবাজারে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। সংকট কাটাতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, বিএসইসিকে আরও তৎপর হওয়ার পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের। বাজার নিয়ে কারসাজিকারীদের খুঁজে বের করার তাগিদও দিয়েছেন তারা।

গত প্রায় দুই সপ্তাহের টানা দরপতনে সূচক কমেছে ৩শ পয়েন্টের বেশি। কমেছে বাজার মূলধনও। যদিও সপ্তাহের শেষদিনে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজার। সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বলছেন, একটি চক্র কারসাজির মাধ্যমে বাজার অস্থির করে তুলেছে। আর এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তারা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাংকের একক বিনিয়োগসীমা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি নিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে পুঁজিবাজারে। যদিও বিষয়টি ঠিক নয় বলেও দাবি তাদের। বিনিয়োগকারীর চেয়ে ব্যবসায়ী বেশি হওয়ায় আতঙ্কটাও একটু বেশি বলেও মনে করেন তারা।

পুঁজিবাজারের সাথে সম্পর্কিত যে কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে বিএসইসির সাথে আলোচনা করা উচিৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের, এমনটা মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান। তিনি বলছেন, বন্ডে বিনিয়োগকে কোনোভাবে ব্যাংকের পুজিবাজারে বিনিয়োগ হিসেবে ধরা যৌক্তিক নয়।

এছাড়া, পুঁজিবাজার নিয়ে যারা গুজব ছড়াচ্ছে তাদেরকে শক্ত হাতে দমন করার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।

বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ঋণ নির্ভরতা কমিয়ে আনার পাশাপাশি পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল করতে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও মিউচুয়াল ফান্ডকে আরও সক্রিয় করা দরকার বলেও মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।


সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply