জসিমের মৃত্যুদিবস আজ

|

১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সৈনিক হিসেবে যুদ্ধ করেছিলেন জসিম।

খলনায়ক অভিনয়ের ক্যারিয়ার শুরু করলেও নায়ক হিসেবেই বাংলা ছবিতে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন জসিম। তাকে বাংলাদেশের অ্যাকশন ধারার চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রবর্তক এই অভিনেতার আজ প্রয়াণ দিবস।

বাংলা ছবি জনপ্রিয় এই নায়ক আশির দশকে সুভাষ দত্তের ‘সবুজ সাথী’ ছবিতে নায়ক চরিত্রে অভিনয় করে নতুনভাবে আলোড়ন তোলেন। এরপর খুব দ্রুতই জসিম হয়ে ওঠেন দর্শকদের প্রিয় নায়ক এবং পুরো চলচ্চিত্র জগতের জন্য এক অপরিহার্য নাম।

১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে দুই নম্বর সেক্টরে মেজর হায়দারের নেতৃত্বে একজন সৈনিক হিসেবে তিনি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন।

১৯৭২ সালে ‘দেবর’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন জসিম। এ ছবিতে তার অভিনয় পরিচালকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে। এরপর ১৯৭৩ সালে ‘রংবাজ’ ছবিতে অ্যাকশন ডিরেক্টর হিসেবে দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি করেন জসিম।

ভিলেন হিসেব অভিনয় করেন দেওয়ান নজরুলের বারুদ, আসামি হাজির, ওস্তাদ সাগরেদ, জনি, কুরবানিসহ অনেক হিট সিনেমাতে। এছাড়া মুম্বাইয়ের সুপারহিট সিনেমা ‘শোলে’ এর আদলে ঢাকায় নির্মিত হয় ‘দোস্ত দুশমন’, ছবিতে আমজাদ খানের চরিত্রে অভিনয় করেন জসিম।

জসিমের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ছবি হলো ‘রকি’, ‘হিরো’, ‘অশান্তি’, ‘বৌমা’, ‘স্বামীর আদেশ’, ‘টাকা পয়সা’, ‘অভিযান’, ‘পরিবার’, ‘ভাই আমার ভাই’, ‘কালিয়া’, ‘ওমর আকবর’, ‘সম্পর্ক’, ‘রাজাবাবু’, ‘ঘাত প্রতিঘাত’, স্বামী কেন আসামী’ ইত্যাদি।

তবে ১৯৯৮ সালের ০৮ আগস্ট অসংখ্য সিনেমার ভিলেন এবং পরবর্তীতে নায়ক জসিম মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে মারা যান। তবে জসিম বারবার প্রমাণ করেছিলেন তিনি আসলেই ‘বাংলার নায়ক’ যার শুন্যতা আজও পূরণ হয়নি।





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply