টাইটেনিকের ২৩ বছর, কেমন আছেন জ্যাক- রোজ?

|

ছবি: সংগৃহীত।

১৯৯৭ সালে জেমস ক্যামেরন পরিচালিত ‘টাইটেনিক’ ছবিটি একবার হলেও দেখেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। বিশ্বের কালজয়ী ছবিগুলোর মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে ছবিটি। সেই ছবিরই কেন্দ্রীয় চরিত্র রোজের ভুমিকায় অভিনয় করেছিলেন ১ বছরের অভিনেত্রী কেট উইন্সলেট এবং জ্যাকের চরিত্রে ছিলেন ২২ বছরের লিওনার্দো দি ক্যাপ্রিও-ও। এখন কেমন আছেন তারা?

১৯৯৭ সালের এই ছবিটির অংশ হওয়ার আগে পর্যন্ত তেমন পরিচিতি অর্জন করতে পারেননি তারা। কেট উইন্সলেট বা দি ক্যাপ্রিও ছাড়াও অন্যান্য কলা-কুশলীদের ভাগ্য রাতারাতি পাল্টে দেয় টাইটেনিক। রোজের চরিত্রে অভিনয়ের পরবর্তী ১২ বছরে ছয়টি অ্যাকাডেমি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন কেট।

হলিউডে তিনিই কনিষ্ঠতম অভিনেত্রী, যিনি ৩৩ বছর বয়সে ছয়টি অস্কার মনোনয়ন পান। এমনকি আন্তর্জাতিক সিনেমায় চারটি বিখ্যাত পুরস্কার এমি, গ্র্যামি, অস্কার এবং টনি জেতার রেকর্ড রয়েছে কেটের।

তবে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে দীর্ঘদিন ভোগান্তিতে ছিলেন ‘রোজ’। তবে ২০০৮ সালের প্রিয় মানুষকে বিয়ে করে বর্তমানে সন্তানদের নিয়ে সাসেক্সের এক বাংলোয় আছেন তিনি।

জ্যাক ডসনের চরিত্রে মুহূর্তেই সকলের হৃদয় জয় করে নেন লিওনার্দো দিক্যাপ্রিও। টাইটানিকের পর অজস্র হিট ও জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন লিও। একই সঙ্গে সমালোচকদের কাছে প্রশংসিত। ২০১৬ সালে টাইটানিকে অভিনয়ের ১৯ বছর পর ‘দ্য রেভেন্যান্ট’ ছবির জন্য অস্কার আসে লিওর হাতে।

তবে এখনও অবিবাহিত এই অভিনেতা। বান্ধবী আর্জেন্টিনা-আমেরিকান মডেল ক্যামিলা মোরোনের সাথে লস অ্যাঞ্জেলেসের পার্ক সিটিতে একটি অ্যাপার্টমেন্টে থাকেন তারা।

টাইটানিকের কথা বলতে গেলে আরও দু’টি চরিত্রের উল্লেখ না করলেই নয়। তার মধ্যে একটি হলো ক্যাল হকলির চরিত্রে অভিনয় করা খলনায়ক বিলি জেন। টাইটানিকে অভিনয়ের পর বেশ কিছু ভাল ছবিতে অভিনয় করেছিলেন বিলি জেন। তবে ব্যক্তিগত জীবনে দীর্ঘদিন থিতু হতে পারেননি। বিয়েও ভাঙে তার। তবে বর্তমানে বিলি জেন দুই কন্যা সন্তানের বাবা।

অন্যদিকে, বৃদ্ধা রোজের চরিত্রে অভিনয় করা গ্লোরিয়া স্টুয়ার্টও প্রবীণতম অস্কার মনোনীত অভিনেতা হিসেবে রেকর্ড গড়েছিলেন। টাইটানিকে যখন অভিনয় করেছিলেন, তখন বয়স ৮৭। ওই বছরেই অস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন গ্লোরিয়া। ২০০৪ সালে শেষ ছবি করেন। তার ছয়বছর পর ১০০ বছর বয়সে মৃত্যু হয় গ্লোরিয়ার।


সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply