বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে টিকা কার্যক্রম কতদূর এগোলো?

|

ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সে ধারাবাহিকতায় খোলার অপেক্ষায় আছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও। কিন্তু এখনও ৫০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থীকে আনা যায়নি ভ্যাকসিনের আওতায়। অনেকে রেজিস্ট্রেশন করেও পাচ্ছেন না টিকা নেয়ার সুযোগ। কারও কারও মাঝে দেখা গেছে আগ্রহের ঘাটতিও। তবে, সুরক্ষা নিশ্চিত করেই ক্যাম্পাস খুলতে চায় কর্তৃপক্ষ।

করোনা স্থবির করেছিল মুখরিত ক্যাম্পাস। শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষণিক পদচারণা ছিল যেসব জায়গায়, সেখানে এখনও শুনশান নীরবতা। তবে, শিগগিরই নীরবতা ভেঙে কোলাহলে পূর্ণ হবার অপেক্ষায় ক্যাম্পাস। দ্রুতই খোলার সিদ্ধান্ত নিতে পারে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। কিন্তু প্রধান চ্যালেঞ্জ শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার বিষয়টি।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে টিকার তথ্য সন্তোষজনক নয় খুব একটা। রেজিস্ট্রার অফিসের তথ্য বলছে, এখন পর্যন্ত দুই ডোজ টিকা নিয়েছে ৩১ শতাংশ শিক্ষার্থী। এক ডোজ নিয়েছে ১৭ শতাংশ শিক্ষার্থী। অনেকেই রেজিস্ট্রেশন করে টিকার অপেক্ষায় আছেন বলেও জানালেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মনিরুল হাসান।

অন্যদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ম ডোজ টিকা নিয়েছেন ৪১ শতাংশ শিক্ষার্থী। আর ২৭ শতাংশ শিক্ষার্থীর সম্পন্ন হয়েছে দুটি ডোজের টিকা। আর টিকা দেয়ার হার কম হওয়ার রয়েছে বেশকিছু কারণ। জনসংযোগ দফতরের পরিচালক আজিজুর রহমান জানলেন, প্রতিজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে তথ্য নেয়াও বড় চ্যালেঞ্জ।

একই অবস্থা জাহাঙ্গীরনগর বা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোরও। টিকা নেয়ার বাকি এখনও অনেক ছাত্রছাত্রীর। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর গোলাম সাব্বির সাত্তার মন্তব্য করলেন, শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে আসতে যতটা আগ্রহ, টিকা নেয়ার ক্ষেত্রে ততোটা নেই।

টিকা নেয়ার ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধকতা অনেকের জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকা। তবে এটির সমাধান করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। যাদের এনআইডি নেই, তারা univac.ugc.gov.bd ওয়েবলিংকের মাধ্যমে জন্ম নিবন্ধন সনদ দিয়ে প্রাথমিক রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। তাদের তথ্য স্বাস্থ্য বিভাগকে দেবে ইউজিসি। পরে তারা সুরক্ষা অ্যাপে করোনা টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে।





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply