নেত্রকোণার কৃষকরা পানির মধ্যেও যেভাবে করছেন সবজির চাষ

|

কয়েক দফা বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে চলতি বছর নেত্রকোণার হাওর অঞ্চলে শাক-সবজির আবাদ করা যায়নি। তাই বিকল্প পদ্ধতিতে শুরু হয়েছে শাক সবজির আবাদ। বিলে ভাসমান পদ্ধিতে শসা, লাউ, টমেটো, ঢেড়শসহ বিভিন্ন জাতের সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। অভিনব এ পদ্ধতিতে কম খরচে ভালো ফলন হওয়ায় খুশি চাষিরাও। পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমে এ সবজি আবাদে নেত্রকোণাসহ আশপাশের এলাকায় মিটছে চাহিদা।

নেত্রকোণার জেলার পূর্বধলার কোমা বিল একসময় ভরে থাকতো কচুরিপানায়। এখন সেখানে ভাসমান পদ্ধতিতে শাকসবজির আবাদ হচ্ছে। স্থানীয় কৃষকেরা এ পদ্ধতিতে আবাদ করেছেন উচ্চ ফলনশীল সুন্দরী জাতের লাউ, শসাসহ অন্যান্য সবজির। অসময়ে উৎপাদিত এসব লাউ ও চাল কুমড়া ৫০ থেকে ৮০ টাকা দরে, টমেটো কেজি প্রতি ১শ থেকে ১ শ ২০ টাকায় বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন চাষীরা।

ভাসমান পদ্ধিতে সার, কীটনাশকসহ বাড়তি খরচ না থাকায় লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ হিমাগার স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা।

অসময়ে সবজি চাষে কয়েখগুণ লাভে সাবলম্বী হচ্ছেন চাষিরা। নেত্রকোণা পূর্বধলার কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানালেন, এই এলাকায় ভাসমান পদ্ধতিতে লাউ, কুমড়া, চিচিঙ্গা, ঢেড়শ, শসাসহ বিভিন্ন প্রকার শাকসবজি আবাদে নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

ভাসমান এ পদ্ধতিতে অসময়ে শাকসবজির চাষাবাদ হাওরাঞ্চলসহ দেশের অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে দিলে একদিকে যেমন মিটবে চাহিদা অন্যদিকে ফিরে আসবে কৃষকদের স্বচ্ছলতাও।





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply