প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মেয়েকে অপহরণ নাটক; ৯ বছর পর গোমর ফাঁস

|

জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১২ সালে ১২ বছর বয়সী জফুরা খাতুনকে অপহরণের অভিযোগে হারুন মিয়াসহ আরও ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে জফুরার মা আমিনা খাতুন। অপহরণের মামলায় আসামি হয়ে গত ৯ বছর ধরে ফেরারি হারুন মিয়া। কারাগারে যেতে হয়েছে অপর তিন আসামিকেও। অথচ মামলার নথিতে অপহৃত জফুরা কাজ করছেন ঢাকায়।

৯ বছর পর ১৩ সেপ্টেম্বর জফুরাকে পাওয়া গেলো ঢাকার কদমতলী এলাকায়। তিনি কাজ করেন একটি গার্মেন্টসে। ঘটনা জানাজানির পর গা ঢাকা দিয়েছেন মামলার বাদি জফুরার মা আমিনা খাতুন ও তার স্বামী।

দীর্ঘ নয় বছর মামলা চালিয়ে নিঃস্ব হারুন মিয়ার বৃদ্ধ মা। এই দীর্ঘ সময়ে সন্তানকে দেখতে না পাওয়ার আক্ষেপও জানান তিনি। এলাকাবাসীও জফুরার মাকে মামলাবাজ আখ্যা দিয়ে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান।

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাসুক আলী বলেন, জফুরা কদমতলী এলাকার একটি গার্মেন্টসে কাজ করে এবং এখানেই বসবাস করছে এমন খবর আমরা জানতে পারি। এরপর বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে দীর্ঘ নয় বছর পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।

দুই পক্ষের আইনজীবীরা চান প্রকৃত অপরাধীকে ধরা পড়ুক। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক বলেন, বাদীপক্ষ দোষী হলে তাদেরকে অপরাধী সাব্যস্ত করা হবে। ইতিপূর্বেও এমন ঘটনা ঘটেছে। বিবাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট দেওয়ান জাকির হোসেন বলেন, বাদী ভিক্টিমকে লুকিয়ে রেখেছে এমন তথ্য আদালতে যুক্তিযুক্ত মনে হলে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আসামিদের খালাস দিতে পারে।





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply