নির্জনতা ভাঙছে জাতীয় চিড়িয়াখানায়, আবারও চালুর প্রস্তুতি

|

করোনা মহামারিতে দীর্ঘ স্থবিরতা। সাড়ে চার মাসের বন্ধে প্রায় মানুষ শূন্য ছিল চিড়িয়াখানা। মহামারি পরিস্থিতির মধ্যেই অবশেষে ১৯ আগস্ট খুলে যাচ্ছে সকল বিনোদন কেন্দ্র। রাজধানীর অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র জাতীয় চিড়িয়াখানাও এই আলোকে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। দীর্ঘ বিরতির পর দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর হবে শিশুদের অন্যতম আকর্ষণের এই কেন্দ্র। অর্ধেক সংখ্যক দর্শনার্থী নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জ হলেও সকল নির্দেশনা মেনেই কার্যক্রম পরিচালনা সম্ভব মনে করেন চিড়িয়াখানার কিউরেটর।

সবার প্রিয় রয়েল বেঙ্গল টাইগার। তার মধ্যে ‘কদম’ আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। তার নিত্য নতুন কর্মকাণ্ডের প্রতি মানুষের একটা বাড়তি আগ্রহ থাকবেই। জিরাফ নিয়েও শিশুদের আগ্রহের কমতি নেই। জিরাফ পরিবারকে একত্রে উপভোগের অপেক্ষা এবার শেষ হবার পালা। সাথে দৃষ্টি নন্দন জেব্রা পরিবারও টেনে আনবে দর্শনার্থী।

মানুষের উপস্থিতি না থাকায় ঝোপঝাড়ে লুকিয়ে থাকা শেয়াল আর হায়েনার দল এতদিন অনেকটা প্রকাশ্যেই ছিল। এবার হয়তো তারা আবারও চলে যাবে ঝোপের আড়ালে। এবারে সবার জন্যই নতুন আকর্ষণ হয়ে আসছে হাতিশালার দুই সদস্য রাজা বাহাদুর ও সুন্দরী।

জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর ড. আব্দুল লতিফ বলেন, দর্শনার্থীরা বার জেব্রার দুইটি নতুন বাচ্চা দেখতে পারবে। আফ্রিকান হর্সের তিনটি নতুন বাচ্চা দেখতে পারবে। এছাড়া জলহস্তী ও ইম্পালার বাচ্চা জন্ম নিয়েছে এগুলোও দেখতে পারবে। আবার, বড় আকর্ষণ হলো ময়ূর পাখির ডিম ফুটিয়ে ১০০ টি বাচ্চা আমরা ইন্টেনসিভ কেয়ারে রেখেছি। আগামী এক মাসের মধ্যেই আমরা এগুলো ডিসপ্লে করব।

অনেক দিন পর মানুষ সুযোগ পাচ্ছে ঘর থেকে বের হবার। হঠাৎ করেই বাড়তি দর্শনার্থীর চাপ সৃষ্টি হওয়াটাই স্বাভাবিক। কিউরেটর জানান, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনেই চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থী প্রবেশ করানো হবে, জানালেন কিউরেটর।

কিউরেটর ড. আব্দুল লতিফ বলেন, গেটের যারা ঠিকাদারি নিয়েছে তাদের সাথে আমাদের আলোচনা হবে। আমাদের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী, সচিব এবং আমাদের ডিজি মহোদয়ের সাথে আলোচনা করে অর্ধেক দর্শনার্থী নিয়ে কীভাবে চিড়িয়াখানা পরিচালনা করা যায় সে ব্যাপারে আমরা আলোচনা করব।

/এস এন


সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply