টার্মিনাল, বন্দর, স্টেশনে জোর প্রস্তুতি; কাল থেকে চলবে গণপরিবহন

|

গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্তে জোর প্রস্তুতি চলছে টার্মিনাল, স্টেশন আর বন্দরে। বাস-ট্রেন-লঞ্চগুলোতে তোড়জোড় পুরনো কোলাহলে  ফেরার। লকডাউন শেষে পরিবহন চালুর সিদ্ধান্তে খুশি মালিক শ্রমিকরা। রেলে চলছে অগ্রিম টিকিট বিক্রি। যদিও অনলাইনে টিকেট কিনতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন অনেকে। প্রথম দিনে ৩৬টি ট্রেন ছেড়ে যাবে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে।

রাজধানীর বাসস্ট্যান্ড ঘুরে দেখা যায়,  ঘষে, মেজে কিংবা নতুন রঙে রাঙিয়ে পথে নামতে প্রস্তুত করা হচ্ছে বাসগুলো। নতুন করে যেনো সাজ সাজ রব।

পরিবহন শ্রমিকরা জানান,  বুধবার (১১ আগস্ট) থেকে গাড়ি চলবে তাই ধুয়ে মুছে, যন্ত্রপাতি চেক করে গাড়িগুলো প্রস্তুত করছি যেন ভালমতো চলতে পারি।

বাসের যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে সচল করার ব্যস্ততা এখন গ্যারেজ আর টার্মিনালগুলোতে। লকডাউনের কারণে বন্ধ থাকার পর গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্তে খুশি মালিক শ্রমিকরা। আর্থিক ক্ষতি দূর হয়ে ফিরবে সচ্ছ্বলতা, তাই সড়ক- মহাসড়কে নামার অপেক্ষায় পরিবহন শ্রমিকরা।

শ্রমিকরা বলেন, গাড়ি চলায় আমরা এখন দুই চার পয়সা কামিয়ে খেতে পারবো। সব বন্ধ থাকলে আমরা একেবারে অচল হয়ে যাই।

বুধবার থেকে খা-খা করা রেলস্টেশনও ভরে উঠবে মুখরতায়। জংশনে পড়ে থাকা ট্রেনগুলো যাত্রী নিয়ে ছুটে যাবে দূরের গন্তব্যে। অনলাইন ও কাউন্টারে ৫০ শতাংশ করে চলছে আগাম টিকিট বিক্রি। কিন্তু অনলাইনে টিকিট কাটতে বিড়ম্বনার অভিযোগ করেন অনেকেই।

কমলাপুর স্টেশন মাস্টার জানান, অনলাইনে একসাথে অনেক মানুষ চেষ্টা করায় জট লেগে গেছে। কমলাপুর থেকে ১১ আগস্ট ৩৬ টি ট্রেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছেড়ে যাবে বলেও জানান তিনি।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার  রফিকুল ইসলাম জানান, একসাথে ৫ হাজার মানুষ সাইটে ঢুকতে পারে। দেখা যায়, এর চেয়ে অনেক বেশি মানুষ চেষ্টা করছেন এজন্য জট তৈরি হয়।

সদরঘাটেও ভিড়ে থাকা লঞ্চগুলো আজ মধ্যরাত থেকেই দূরের পথে পাড়ি দেবে। তাই লঞ্চ শ্রমিকদের মধ্যেও চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

/এস এন





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply