মর্গেও জায়গা নেই থাইল্যান্ডে

|

মর্গে স্থানসংকটের কারণে মরদেহ সংরক্ষণে ব্যবহার করা হচ্ছে পণ্য পরিবহনের ফ্রিজিং কন্টেইনার।

মহামারি শুরুর পর সবচেয়ে ভয়াবহ সময় পার করছে থাইল্যান্ড। হঠাৎ মৃত্যুহার বেড়ে যাওয়ায় মর্গেও জায়গা হচ্ছে না মরদেহের। মর্গে স্থানসংকটের কারণে মরদেহ সংরক্ষণে ব্যবহার করা হচ্ছে পণ্য পরিবহনের ফ্রিজিং কন্টেইনার। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রভাবে এখন সর্বোচ্চ সংক্রমণ আর মৃত্যু দেখছে থাইল্যান্ড।

শনিবার (৩১ জুলাই) রেকর্ড ১৯ হাজারের কাছাকাছি সংক্রমণ আর ১৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে দেশটিতে। ব্যাংককসহ আশেপাশের শহরগুলোর হাসপাতালে আর রোগী ভর্তির ক্ষমতা নেই। কেবল রাজধানীতেই ৬ হাজারের বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তির জন্য অপেক্ষমাণ।

২০০৪ সালের বিধ্বংসী সুনামির পর যেমনভাবে মরদেহের চাপ সামলাতে থাইল্যান্ডে ফ্রিজিং কন্টেইনারে মরদেহ সংরক্ষণ করা হয়েছিলো, এখন আবারও সেই পদ্ধতিতে এগুতে হচ্ছে তাদের। তাই আবারও কন্টেইনার সংগ্রহ করছে হাসপাতালগুলো।

থাইল্যান্ডের থামাসাত ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের পরিচালক ফারুহাত টোর উডম বলছেন, কোভিড রোগীদের মরদেহগুলো কন্টেইনারে রাখছেন তারা। তিনি জানান, সুনামির ঘটনায় শেষবার তারা এগুলো ব্যবহার করেছেন।

কোনো উপসর্গ ছাড়া যারা মারা যাচ্ছেন, তাদের মৃতদেহের নমুনা পরীক্ষার পর ২০ শতাংশ ক্ষেত্রেই মিলছে ভাইরাসের অস্তিত্ব। পরীক্ষার জন্যেও তাই সংরক্ষণ করা হচ্ছে কিছু মরদেহ।

ওই হাসপাতাল কর্মকর্তা বলছেন, এখন দৈনিক মৃত্যু অনেক বেশি, মর্গে আর জায়গা হচ্ছে না।

থাইল্যান্ডে করোনায় থাবায় প্রাণহানি ৫ হাজারেরও নিচে। মহামারির শুরু থেকে অনেকটা নিরাপদ থাকলেও, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনেক দেশের মতো এখন ভয়াবহতা টের পাচ্ছে তারা।


সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply