রাজশাহীতে বেশিরভাগই বিশালাকৃতির গরুই বিক্রি হয়নি

|

রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলায় এবারের হাটে অবিক্রিত থেকেছে প্রায় সোয়া ২ লাখ পশু।

এ বছর ঈদুল আজহায় সার্বিকভাবে পশু কোরবানির সংখ্যা কমেছে রাজশাহী বিভাগে। বিভাগের ৮ জেলায় এবারের হাটে অবিক্রিত থেকেছে প্রায় সোয়া ২ লাখ পশু। রাজশাহীতে এবার বড় আকারের গরুর বেশিরভাগই অবিক্রিত। হাট ঘুরে ঘরে ফিরে আসা ছাগল ও ভেড়ার সংখ্যাও কম নয়। বিভাগের মধ্যে অবিক্রিত পশুর সংখ্যা সব থেকে বেশি রাজশাহী জেলায়।

খামারিরা যখন আরও এক বছরের বিনিয়োগ নিয়ে উদ্বিগ্ন, তখন ব্যাপারীরা অবিক্রিত পশু কী করবেন, তা নিয়ে রয়েছেন দুশ্চিন্তায়। গরু বিক্রি না হওয়ায় ধারদেনা শোধের তাগাদা, চড়া দামের গো-খাদ্য ও গরুর দৈনন্দিন ব্যয় মেটানোর দুর্ভাবনা তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে তাদের।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাবে এবার এই পরিস্থিতি। ফলে বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন খামারি ও ব্যাপারীরা। শান্তবাবু নামে ৩০ মন ওজনের আলোচিত রাজশাহীর পুঠিয়ার গরুটি লাখ টাকা বিক্রির সম্ভাবনা থাকলেও তা বিক্রি হয়নি। ফলে মালিক আলিমুদ্দিন একন কাটাচ্ছেন দুশ্চিন্তাগ্রস্ত সময়।

রাজশাহী প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের ডা. উত্তম কুমার দাস বলছে, এ বিভাগে গত বছরের তুলনায় গরু মহিষের কোরবানি কমেছে ২ লাখের বেশি। বড় আকারের বিপরীতে ছাগলের মতো ছোট আকারের পশু কোরবানির প্রবণতা এবার ছিলো একটু বেশি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব এর প্রধান কারণ। তিনি বলেন, আপাতত ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের আর্থিক সহায়তা দেয়ার সুযোগ না থাকলেও ভিন্নভাবে সহায়তা করার কথা ভাবছে সরকার।

এবার বিভাগের দেড় লাখ খামারে ২৪ লাখ গবাদিপশু কোরবানির হাটের জন্য প্রস্তুত করা হয়, যে সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ৮ লাখ বেশি।


সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply