তালেবানের পুনরুত্থানে প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতিক্রিয়া

|

আফগানিস্তানের অনেক এলাকা তালেবানের নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার পরও চীন আর পাকিস্তানে তেমন অস্বস্তি দেখা যায়নি।

আফগানিস্তানে তালেবানের পুনরুত্থানে নড়েচড়ে বসেছে প্রতিবেশী দেশগুলো। সশস্ত্র গোষ্ঠিটির সাথে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক কেমন হবে সে কৌশল নির্ধারণে ব্যস্ত কূটনীতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। তালেবান নেতাদের সাথে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকের পর প্রকাশ্যে এসেছে এ তৎপরতা। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারত সফরেও গুরুত্ব পেয়েছে আফগানিস্তান পরিস্থিতি।

বুধবার (২৮ জুলাই) তালেবান শীর্ষ নেতাদের সাথে বৈঠক করে বেইজিংয়ের অবস্থান অনেকটা স্পষ্ট করে দিলেন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেছেন, আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা নির্ভর করছে তালেবানের ওপরই। তিনি বলেন, আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে সম্মান জানায় চীন। অভ্যন্তরীন ইস্যুতে নাক না গলিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চান তারা। কারণ, আফগানিস্তানের রাজনীতি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে তালেবানের।

আফগানিস্তানের অনেক এলাকা তালেবানের নিয়ন্ত্রণে যাওয়ার পরও, চীন আর পাকিস্তানে তেমন অস্বস্তি দেখা যায়নি। কিন্তু জিহাদিদের তৎপরতা নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত। এখনও শান্তি প্রক্রিয়ার ওপরই আস্থা রাখছে দেশটি।

অন্যদিকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রামনিয়াম জয়শঙ্করও প্রত্যাশা করছেন, আফগানিস্তানে শান্তি আলোচনাকে সবপক্ষ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে। তিনি বলেন, এর কারণ, গোটা বিশ্ব এমন একটি স্থিতিশীল আফগানিস্তান দেখতে চায় যারা প্রতিবেশীদের সাথে সদ্ভাব বজায় রাখবে।

দিল্লিতে সফররত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যেও ঘুরেফিরে আসে আফগানিস্তান পরিস্থিতি। তবে তালেবানকে ঠেকাতে পাকিস্তানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন অ্যান্টনি ব্লিনকেন। তিনি বলেন, তালেবানের ওপর প্রভাব বিস্তারে সক্ষম পাকিস্তান, তাই কোনোভাবেই তালেবানকে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে আফগানিস্তান দখল করতে দেয়া যাবে না। সেই অবস্থান থেকে ফেরাতে সক্রিয় হতে হবে পাকিস্তানকেই।

ব্লিনকেনের আরও বলেন, লড়াই না করে আলোচনার টেবিলে বসলে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাবে তালেবান।





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply