পদ্মা সেতুর পিলারে ফেরির ধাক্কা, আহত ২০

|

পদ্মা সেতুর ১৭ নং পিলারে ধাক্কা লেগে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটের রোরো ফেরি শাহ জালালের কমপক্ষে ২০ যাত্রী আহত হয়েছেন।

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি:

পদ্মা সেতুর ১৭ নং পিলারে ধাক্কা লেগে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটের রোরো ফেরি শাহ জালালের কমপক্ষে ২০ যাত্রী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উক্ত ফেরির ইনচার্জ ইনল্যান্ড মাস্টার অফিসার আব্দুর রহমানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বিআইডব্লিউটিসি।

শুক্রবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাট থেকে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে আসার পথে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ফেরিটি। এ সময় ফেরিতে কয়েক শত যাত্রী ও অর্ধশতাধিক যানবাহন ছিল। তবে তাৎক্ষণিক ফেরি নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা ও চালক শেষ পর্যন্ত শিমুলিয়া ঘাটে এসে ফেরি নোঙর করতে পেরেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী যাত্রীরা জানান, সকালে বাংলাবাজার থেকে ঢাকামুখী কয়েকশত যাত্রী ও অর্ধশতাধিক যানবাহন নিয়ে ফেরিটি শিমুলিয়া আসছিলো। পথে পদ্মা সেতুর পিলারের সামনে আসলে হঠাৎ করেই ফেরি বন্ধ হয়ে সজোরে সেতুর পিলারে গিয়ে ধাক্কা লাগে। এ সময় যাত্রীদের কেউ মাথায়, কেউ পায়ে আঘাত পায়। আহত হয় কমপক্ষে ২০ জন। যাদের কয়েকজনের মাথা ফেটে গেছে।

আব্দুস সালাম সরকার নামে এক যাত্রী জানান, চালকের কারণেই এই দুর্ঘটনায় পড়তে হলো। শতশত মানুষ ছিলো। অনেকে আহত হয়েছেন।

আরেক যাত্রী বলেন, অনেক জোরে ধাক্কা লাগছে, ক্যান্টিনের গ্লাস, প্লেট ও ফ্রিজসহ সব ভেঙে গেছে। এছাড়া কারোর মাথায় আবার কারোর পায়ে আঘাত লেগেছে।

এ বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলও বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাটের মেরিন কর্মকর্তা আলী আহমেদকে পাওয়া যায়নি।

রোরো ফেরি শাহ জালালের চালক আব্দুল রহমান জানান, ফেরি ভালোভাবেই আসছিলো। ব্রিজের সামনে আসার পর হঠাৎ ফেরির ইলেকট্রনিক সিস্টেম ফেল করায় ব্রেক পড়ে নিয়ন্ত্রণ হারায়। এ সময় নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে ফেরিটি পিলারে গিয়ে ধাক্কা লাগে।

পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আব্দুর কাদের জানান, ফেরির ধাক্কা লাগার বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে পদ্মা নদীতে চলাচলকারী যেকোনো নৌযানের ধাক্কায় সহ্য করতে পারে এমন নকশা করেই সেতুর পিলার নির্মাণ করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে সেতুতে প্রভাব পরবে না। যদি সামান্য অংশ ভেঙে যায়, তাহলে সেগুলো সংস্কার করে নিলেই হবে।

ইউএইচ/





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply