শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের টি-টোয়েন্টি সিরিজ

|

ছবি: সংগৃহীত

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে আজ মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে। হারারেতে টসে জিতে ব্যাটিঙের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জিম্বাবুয়ে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ৮ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৭৪ রান।

তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিমের অনুপস্থিতিতে অনেকটা তারুণ্য নির্ভর দল নিয়ে মাঠে নেমেছে টাইগাররা। এই দল নিয়ে কেবলমাত্র জয়ের জন্যই মাঠে নামার কথা বলছেন অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। অন্য দিকে দুই ফরম্যাটে নাস্তানাবুদ হওয়া জিম্বাবুয়ে জয় ছিনিয়ে নিতে চায় টি-টোয়েন্টিতে।

ওয়ানডেতে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের শক্তির পার্থক্যটা স্পষ্ট। তবে আইসিসির র‍্যাঙ্কিং বলছে টি-টােয়েন্টিতে দু’দল প্রায় সমশক্তির। বাংলাদেশ ১০ আর জিম্বাবুয়ে ১১ নম্বরে আছে এই তালিকায়।

বাংলাদেশের জন্যে কাজটা আরও কঠিন হয়েছে তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিমের অনুপস্থিতিতে। একাদশে আছে তিন ওপেনার নাঈম শেখ, সৌম্য সরকার ও লিটন দাস। সৌম্য হয়তো নামবেন চার নম্বরে। এছাড়া মিডল অর্ডারে সাকিব আল হাসান ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ বড় ভরসা দলের। সেই সাথে আফিফ এবং নুরুল হাসান সোহানরা আছেন মূল একাদশে।

স্পিনে সাকিবের সাথে আছেন মেহেদি হাসান। পেস আক্রমণে তাসকিন অটোমেটিক চয়েস। তার সাথে আছেন সাইফুদ্দিন ও মোস্তাফিজ।

অতীত পরিসংখ্যান বলছে, টি-টোয়েন্টি সিরিজে ফেভারিট বাংলাদেশ। এখন পর্যন্ত দুই দলের ১৩ দেখায় ৯ বার জিতেছে টাইগাররা। আর ৪ বার জয়ী ব্রেন্ডন টেইলরের দল। জিম্বাবুয়ের মাটিতে এখন পর্যন্ত মাত্র দুটি টি-টোয়েন্ট খেলেছে বাংলাদেশ। সে দুটিও বুলাওয়েতে। ২০১৩ সালের সেই সিরিজে দু’দলই জিতেছিল একটি করে ম্যাচ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯ ম্যাচ খেলে সর্বাধিক ১৯৬ রান সাকিবের। তবে সবচেয়ে সফল লিটন দাস। মাত্র ৫ ম্যাচে ৪৮.২৫ গড়ে ১৯৩ রান এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যানের।

সবশেষ নিউজিল্যান্ড সফরে অর্থাৎ, প্রায় চার মাস আগে টি-টােয়েন্টি খেলেছিল বাংলাদেশ। লম্বা বিরতির পর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ক্রিকেটের নবীনতম এই সংস্করণে খেলবে দল। শুধু তাই নয়, আগামী দেড় মাসে খেলতে হবে ১৬টি টি-টোয়েন্টি। এরপর আছে বিশ্বকাপ।

অক্টোবর-নভেম্বরে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। যার প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে এই টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়েই।





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply