পদ্মায় তীব্র স্রোত, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটে ফেরি পারাপারে লাগছে দ্বিগুন সময়

|

পদ্মায় স্রোতের কারণে ফেরি পারাপারে দ্বিগুন সময় লাগছে।

স্টাফ রিপোর্টার, মাদারীপুর:

পদ্মার শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটে অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধির ফলে তীব্র স্রোতের সৃষ্টি হয়েছে। স্রোতের সাথে তাল মেলাতে না পেরে ফেরিগুলো প্রায় ৪ কিলোমিটার পথ ঘুরে আসা যাওয়া করায় নদী পারাপারে দ্বিগুন সময় ব্যয় হচ্ছে।

জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে পদ্মায় অস্বাভাবিক হারে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটের বিভিন্ন পয়েন্টে তীব্র স্রোত বইছে। স্রোতের সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে ডাম্ব ফেরিগুলোর চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যহত হচ্ছে। স্রোতের সাথে পাল্লা দিয়ে পারাপার হতে না পারায় ২ টি ডাম্ব এবং একটি ছোট ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে এই রুটের ১৭ টি ফেরির মধ্যে ৪ টি রো রো, ৬ টি কে টাইপ ও ৪ টি ডাম্ব ফেরিসহ ১৪ টি ফেরি ধারণ ক্ষমতার কম যানবাহন নিয়ে চলাচল করছে।

নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে শিমুলিয়া থেকে ফেরিগুলো প্রায় ৪ কিলোমিটার পথ ঘুরে জসিলদা এলাকা হয়ে বাংলাবাজার ঘাটে আসছে। দীর্ঘ পথ ঘুরে আসায় ডাম্ব ফেরিগুলো পারাপারে প্রায় ৩ ঘন্টা এবং রো রো ও কেটাইপ ফেরিগুলোর প্রায় আড়াই ঘন্টা সময় লাগছে। ফলে উভয় ঘাটে ৫ শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক আটকে পড়েছে।

এদিকে শনিবারও (১৭ জুলাই) সকাল থেকে বাংলাবাজার ঘাটে কোরবানির গরুবাহী ট্রাকের চাপ ছিল। দূর দূরান্ত থেকে আসা গরুবোঝাই ট্রাকগুলো বাংলাবাজার ঘাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পারাপারের অপেক্ষায় ছিল। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গরুর গাড়ি পারাপার করতে দেখা গেলেও উভয় ঘাটে ৫ শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক আটকে পড়েছে।

ঢাকা থেকে ঘরমুখো মানুষের চাপ শনিবারও ছিল সহনীয় পর্যায়ে। লঞ্চগুলো ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে পারাপার হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিসির কাঁঠালবাড়ি ঘাট ম্যানেজার মো. সালাউদ্দিন বলেন, পদ্মায় পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে তীব্র স্রোত রয়েছে। এতে ফেরি পারাপারে সময় কিছুটা বেশি লাগছে। তবে আমরা গরুবাহী ও কাঁচামালবাহী ট্রাক, অ্যাম্বুলেন্স অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপার করছি। কিছু পণ্যবাহী ট্রাক পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।

/এসএন





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply