টাকা না পেয়ে ঘর খুলে নিয়েছে দাদন ব্যবসায়ী

|

ময়মনসিংহ ব্যুরো

দেড় লাখ টাকার মাসিক সুদ ছিল ১৬ হাজার টাকা। মাসে মাসে টাকা দিয়ে পরিশোধ করা হয়েছিল ৪ লাখ ১৮ হাজার টাকা। এরপরও শেষ রক্ষা হয়নি। দাদনের টাকা বাকি পড়ার অযুহাতে খুলে নেয়া হয়েছে বসতঘর। ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের ত্রিশালের বইলর এলাকায়। ভুক্তভোগী জেলে ফজলুল হক জানান, ১১ দিন ধরে খোলা আকাশের নিচে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন তিনি।

জানা গেছে, দুই বছর আগে স্থানীয় দাদন ব্যবসায়ী আবুল কাসেমের স্ত্রী হাসনা বেগমের কাছ থেকে জেলে ফজলুল হকের স্ত্রী হেলেনা দেড় লাখ টাকা ধার নেয়। প্রতিমাসে ওই টাকার সুদ দিতে হতো ১৬ হাজার টাকা।

ভুক্তভোগী হেলেনা খাতুন জানান, দাদন ব্যবসায়ী আবুল কাসেম লোকজন নিয়ে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি টিনসেটের বসতঘরটি ভেঙ্গে নিয়ে যায়। পরে তার স্বামী ফজলুল হক বাদি হয়ে ৫ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। বর্তমানে অসহায় অবস্থায় জীবন যাপন করছেন তিনি।

এ ব্যাপারে দাদন ব্যবসায়ী আবুল কাসেমের স্ত্রী হাসনা বেগম জানান, ৮ মাসের সুদের টাকা বাকি পড়েছিল। পরে হেলেনার ছেলেরা টাকা দিতে না পেরে বসতঘরটি ভেঙ্গে নেওয়ার লিখিত অনুমতি দিয়েছে। তবে ভেঙ্গে নেয়ার অনুমতি দেয়ার কথাটি অস্বীকার করেন হেলেনার ছেলে সুমন মিয়া। তিনি উল্টো অভিযোগ করে বলেন, ভয় দেখিয়ে একশ টাকার ষ্ট্যাম্পে সই নিয়ে আমাদের একমাত্র সম্বল টিনসেটের বসতঘরটি ভেঙ্গে নিয়ে গেছেন তারা।









Leave a reply