মে মাসেই জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তর

|

মে মাসে ফিলিস্তিনীদের ঐতিহাসিক ‘নাকবা দিবস।’ অপরদিকে চলতি বছরে এ মাসটিতেই ৭০তম স্বাধীনতা দিবস পালন করবে ইসরায়েল। এমন একটি মাসে ইসরায়েলে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেমে সরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন শুক্রবার এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, তিন মাসের মধ্যেই তেলআবিব থেকে জেরুজালেমে দূতাবাস সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। ইসরায়েল রাষ্ট্র ঘোষণার ৭০তম বর্ষপূর্তিতে উদ্বোধন হবে নতুন দূতাবাস।

গেল বছর বিতর্কিত এক সিদ্ধান্তে জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। তখন বলা হয়েছিল, ২০১৯ সালে স্থানান্তর হবে মার্কিন দূতাবাস। কিন্তু হঠাৎই  দূতাবাস স্থানান্তরের সময় এক বছর এগিয়ে আনলো ওয়াশিংটন।

এ ঘোষণায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফিলিস্তিন। যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্তকে ‘নির্লজ্জ উস্কানি’ হিসেবে অভিহিত করেছে প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের কার্যালয় ।

মে মাসেই, নিজ ভূখণ্ড থেকে বিতাড়িত হওয়ার দিনটিকে ঐতিহাসিক ‘নাকবা দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে ফিলিস্তিনীরা।

এ বিষয়ে ফিলিস্তিনী প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র সায়েব এরাকাত বলেন, “পবিত্র নগরী জেরুজালেমে দূতাবাস স্থানান্তরের ঘোষণা নির্লজ্জ উস্কানি ছাড়া আর কিছু নয়। নাকবা দিবসকে সামনে রেখে সিদ্ধান্ত কার্যকরের সময় এগিয়ে এনে মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনছে ট্রাম্প প্রশাসন।”

তিনি আরও বলেন, “এ সিদ্ধান্তে মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিন-ইসরায়েল দ্বিপাক্ষিক শান্তি প্রক্রিয়া ভেস্তে দেওয়ার লক্ষ্য স্পষ্ট। সারা বিশ্বের অসন্তোষ উপেক্ষা করে ধ্বংসাত্মক এ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন ট্রাম্প।”

যমুনা অনলাইন : আরএম/এফএইচ









Leave a reply