আফরিনে ঢুকছে সিরিয়ান সেনাবহর

|

তুরস্কের অভিযান মোকাবেলায় আফরিনে সেনাবহর পাঠাতে বাশার আল আসাদ প্রশাসন গতরাতে সিদ্ধান্ত নেয়। কুর্দি গেরিলা ও সিরিয়ান সরকারের মধ্যে এক চুক্তির ভিত্তিতে এমন সিদ্ধান্তের ঘোষণা আসে।

রোববার রাতে এই চুক্তির কথা জানান কুর্দি গেরিলা সংগঠন ওয়াইপিজে’র মুখপাত্র বাদরান জিয়া। তবে সিরিয়ার সেনাবাহিনী বা সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এ ব্যাপারে কোন বিবৃতি দেয়া না হলেও আজ সোমবার দুপুরে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেল আল আখবারিয়্যা জানিয়েছে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আফরিনে সিরিয়ান সেনারা ঢুকবে।

আর এর মধ্যে দিয়ে সরাসরি তুরস্ক ও সিরিয়ান সেনাবাহিনী মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। ৭ বছর ধরে চলা সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে এই প্রথম দু’টি সেনাবাহিনী সম্মুখযুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর আগে বিভিন্ন পক্ষই তাদের প্রশিক্ষিত গেরিলাদের মাঠে সমর্থন দিয়ে আসছিলো। সিরিয়ার সেনাবাহিনী এর আগেও আইএস ও অন্যান্য যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে লড়েছে। অন্যদিকে তুরস্ক কুর্দি গেরিলাদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত দুই বার সেনা অভিযান চালিয়েছে। কিন্তু অতীতে কখনো দুটি দেশের সেনাবাহিনী সিরিয়ায় মুখোমুখি হয়নি।

কুর্দি বাহিনীর দাবি, চুক্তি মোতাবেক চলতি সপ্তাহেই আফরিনে সেনা মোতায়েন করবে সিরিয়া সরকার। সীমান্ত নিরাপত্তাও জোরদার করা হবে।

চুক্তির বিষয়টি সত্য হলে আফরিন এলাকায় ওয়াইপিজে’র পাশাপাশি সিরীয় সেনাদের সাথেও যুদ্ধে নামতে হবে তুরস্ককে। জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে শুরু করা আফরিন অভিযানে ইতোমধ্যে বেশ কিছু এলাকা থেকে কুর্দি বিদ্রোহীদেরকে সরিয়ে দিতে সক্ষম হলেও মূল শহরে এখনো পৌঁছাতে পারেনি তুর্কি বাহিনী।

২০১২ সালে উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্ত থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করেন প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ। পুরো এলাকাই কুর্দি গেরিলাদের নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল। আঙ্কারা কুর্দি গেরিলাদেরকে নিজের সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি হিসেবে দেখে। এ কারণে সিরিয়ান ওয়াইপিজে এবং তুরস্কের অভ্যন্তরীণ পিকেকে এই দুটি সংগঠনকে সন্ত্রাসী তালিভূক্ত করেছে আঙ্কারা।









Leave a reply