মিয়ানমারে ‘রোহিঙ্গা’ বলে কিছু নেই!

|

মিয়ানমারে ‘রোহিঙ্গা’ বলে কোনো কিছু নেই। ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’রাই রাখাইনে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করছে। এমনটাই দাবি করছে সুচি প্রশাসন। সেই সাথে রাখাইনে বিভিন্ন এলাকায় বসতিতে আগুন দেয়ার জন্য দায়ী করেছে আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মিকেই।

রাখাইনে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা জ্বালিয়ে দেয়ার ছবি প্রকাশের পরই মানবাধিবার সংগঠনগুলোর সমালোচনার মুখে মিয়ানমার সরকার। তবে বরাবরের মতো সব অস্বীকার করছে সুচি প্রশাসন; উল্টো দায় চাপিয়েছে সন্ত্রাসী আখ্যায়িত আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মির ওপর। বলা হচ্ছে, শুক্রবারের হামলার পর অন্তত ২৩শ বাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে এআরএসএ।

সেনা নিপীড়নের বিষয়টিও উড়িয়ে দিয়েছেন তারা। মিয়ানমারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দাবি, সন্ত্রাসী দমনে সংযতভাবেই অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই মংডু ও বৌদ্ধ অধ্যুষিত বুথিডংয়ে হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। রোহিঙ্গা বলে কোন নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী মিয়ানমারে নেই। অনুপ্রবেশকারী বাঙ্গালীরা মিয়ানমারে আইনের শাসন ধ্বংসের পায়তারা করছে।

গত বৃহস্পতিবার, রাতে পুলিশের টহলচৌকি আর সেনাঘাঁটিতে হামলার পরপরই রাখাইনে সেনা অভিযান জোরদার করা হয়। সংঘর্ষে প্রাণ গেছে শতাধিক মানুষের। ঘর-বাড়ি ছেড়েছে ১০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা।

 









Leave a reply