আইন অমান্য করেও বহাল তবিয়তে উপসচিব

|

আইন অমান্য করে নাগরিকত্ব নিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। আছে অবৈধ উপার্জনে সেখানে বাড়ি কেনারও অভিযোগ। সরকারি অনুমতি ছাড়াই করেছেন বিদেশ ভ্রমণ। তবুও বহাল তবিয়তে উপসচিব মাহবুব হাসান শাহীন। নিয়ম বহির্ভূত ভাবে একাই ব্যবহার করেন ৪টি সরকারি গাড়ি। আইনজীবীরা বলছেন, চাকরিতে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন এই সরকারি কর্মকর্তা। অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ দিচ্ছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

এই সকল অভিযোগ এসেছে ২২তম বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা, বর্তমানে উপসচিব মাহবুব হাসান শাহীনের বিরুদ্ধে।

মাহবুব হাসান শাহীন বাংলাদেশের পাশাপাশি নাগরিকত্ব নিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। আমেরিকান পাসপোর্ট ব্যবহার করে ২০১৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর সৌদি এয়ারলাইনসে ভ্রমণ করেন তিনি। এ ভ্রমণের বিষয়ে কোন তথ্য নেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ডেটাবেইজে। আইনজীবীরা বলছেন, ২০১৮ সালের আইনের ৪০ ধারা লঙ্ঘন করায় চাকরিতে বহাল থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন এই কর্মকর্তা।

সুপ্রিমকোর্টে দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান বলেন, শুধু দুই দেশের নাগরিকত্ব নয়, অবৈধ আয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি কেনার অভিযোগ রয়েছে মাহবুবের বিরুদ্ধে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর রস্ক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বিশ্বব্যাংকের হাজার কোটি টাকা অর্থায়নে। নিয়ম অনুযায়ী, এ প্রকল্পের পরিচালক হওয়ার কথা একজন যুগ্ম সচিব মানের কর্মকর্তার। কিন্তু উপসচিব হয়েও পিডি’র দায়িত্বে আছেন মাহবুব হাসান। ব্যবহার করছেন চার চারটি গাড়ি। অভিযোগ আছে, চারিত্রিক স্খলনেরও। এসব বিষয়ে জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও কথা বলতে রাজি হননি তিনি।

ক্যামেরার সামনে কথা না বললেও অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ, দ্রুতই খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া উচিত মন্ত্রণালয়ের।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর সম্পাদক ড.বদিউল আলম মজুমদার জানান, চাকরিজীবনে ২ বার ওএসডি হন উপসচিব মাহবুব হাসান শাহীন।





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply