মায়ের কষ্ট দূর করতে অকল্পনীয় পিপিই আবিষ্কার ভারতীয় তরুণের

|

মাত্র ১৯ বছর বয়সী এক উদ্ভাবকের তৈরি বিশেষ পিপিই নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে ভারতে। ব্যক্তিগত সুরক্ষা পোশাকের সাথে বিশেষ ডিভাইস জুড়ে দিয়েছেন নেহাল সিং। এরফলে বাইরের বাতাস সহজেই প্রবেশ করতে পারবে পিপিই-তে। এমনকি বের হয়ে যাবে ভেতরের দূষিত বাতাসও।

বিশেষ এই পিপিই, স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য খুবই উপযোগী বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

সাধারণ মনে হলেও অন্যান্য পিপিই থেকে একেবারেই ব্যতিক্রম এই ব্যক্তিগত সুরক্ষা পোশাক। প্লাস্টিকের তৈরি এই পিপিইতে রয়েছে নিজস্ব ভেন্টিলেশন সিস্টেম। আর এই বিশেষ পিপিই’র ডিজাইনার মাত্র ১৯ বছর বয়সী নিহাল সিং।

ভারতীয় উদ্ভাবক নিহাল সিং জানান, এই ডিভাইসে কুলিং ফ্যান লাগানো আছে। যেটা বাইরে থেকে পিপিইর ভেতরে বাতাস সরবরাহ করে। আর ফ্যানের সাথে লাগানো আছে ফিল্টার। ফলে বাতাসে কোনো ভাইরাস বা পার্টিকেল থাকলে সেটিও আটকে দেবে। ফলে যারা এই পিপিই পড়বেন তারা কখনোই গরম অনুভব করবেন না।

নিহালের মা একজন চিকিৎসক। তার চিকিৎসক মাকে দীর্ঘ সময় পিপিই পড়ে কষ্ট পেতে দেখে এই পোশাকের আইডিয়া মাথায় আসে নিহালের। স্বয়ংক্রিয়ভাবে পিপিইর ভেতরের বাতাসও বের করে দেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে এতে।

নিহাল সিং আরও বলেন, পিপিই পড়ে থাকার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এরমধ্যে আটকে থাকা নিঃশ্বাসের সাথে বের হওয়া কার্বন-ডাই-অক্সাইড। এখানে সার্কিট এবং সেন্সর বসানো আছে। যাতে পিপিইর মধ্যে থাকা কার্বন ডাই অক্সাইড সহজেই বের হয়ে যাবে ফ্যানের মাধ্যমে।

এ বিষয়ে নেহাল সিংয়ের মা ডা. পুনম কৌর জানান, আমি এটা পড়েছি। খুবই আরামদায়ক এটা। পিপিই পড়লে যে অস্বস্তি হয় সেটা হয় না। শরীরে বাতাস লাগে। চিকিৎসকদের জন্য বড় উদ্ভাবন এটি।

নেহাল সিংয়ের এই পিপিইতে একবার চার্জ করা হলে, প্রায় ৮ ঘণ্টা চলতে পারে এই অভিনব ডিভাইস।

এনএনআর/









Leave a reply