পাওনা পরিশোধের দাবিতে ইউএমসি জুট মিলের সামনে শ্রমিকদের অবস্থান কর্মসূচি

|

স্টাফ রিপোর্টার, নরসিংদী :

অস্থায়ী/বদলি শ্রমিকদের চূড়ান্ত পাওনা পরিশোধসহ ৯ দফা দাবিতে নরসিংদীর ইউএমসি জুটমিলের সামনের সড়কে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে জুট মিলের অস্থায়ী ও বদলি শ্রমিকরা।

লোকসানের জন্য ২০২০ সালের ৭ জুলাই নরসিংদীর ইউএমসি জুটমিলসহ বাংলাদেশের সকল রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। বন্ধ ঘোষণার পর স্থায়ী ও অস্থায়ী শ্রমিকদের বকেয়া বেতনসহ সকল পাওনা সেপ্টেম্বর ২০২০ সালের মধ্যে পরিশোধ করার প্রতিশ্রুতি দেন শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়। ইউএমসি জুট মিলে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলে প্রায় ৬ হাজার শ্রমিক কর্মরত ছিল। তার মধ্যে স্থায়ী ৩ হাজার শ্রমিকদেরকে ১৬০ কোটি টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে নগদ প্রদান ও ১৪০ কোটি টাকা মূল্যের সঞ্চয় পত্রের মাধ্যমে পরিশোধ করে শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

কিন্তু অস্থায়ী/বদলি প্রায় ৩ হাজার শ্রমিকদের ২১ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা বকেয়া রয়েছে যা পরিশোধ করেনি তারা। বারবার আশ্বাস দিয়েও বকেয়া বেতনসহ পাওনা পরিশোধ না করায় আজ সোমবার ৮ মার্চ সকাল ১১টা থেকে ৯ দফা দাবিতে আবারও আন্দোলনে নেমেছেন নরসিংদীর ইউএমসির স্থায়ী ও অস্থায়ী শ্রমিকরা।

তাদের ৯ দফা দাবি গুলো হলো-

১. বদলি শ্রমিকদের এরিয়া বিল।
২. শ্রমিকদের ২০১৯ সালের ৫ সপ্তাহের বকেয়া বিল পরিশোধ।
৩. গত ০৪/০১/২০২১ তারিখে শ্রম ও কল্যাণ বিভাগীয় প্রধানের বিজ্ঞপ্তি মোতাবেক শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ।
৪. মৃত শ্রমিকদের মৃতদাবি বিলসহ যাবতীয় পাওনা পরিশোধ।
৫. মামলাকৃত শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ।
৬. সমস্ত শ্রমিকদের চূড়ান্ত হিসাব প্রদান
৭. ১ জুলাই ২০ তারিখে অবসায়ন শ্রমিকদের চিঠি/সার্ভিস বই প্রদান
৮. ১ জুলাই ২০ তারিখ হতে ঘোষিত ২০% মহার্ঘ্য ভাতার বকেয়া বিল প্রদান।
৯. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের মাধ্যমে যে সমস্ত শ্রমিকদের নাম অন্যান্য সংশোধনের মাধ্যমে এফিডেভিট করে সোনালী ব্যাংকের সঞ্চয় পত্র ফরম পূরণ করা হয়েছে তাদের টাকা পরিশোধ করা।

এ বিষয়ে সিবিএ সভাপতি শফিকুল ইসলাম মোল্লা বলেন, অস্থায়ী/বদলি প্রায় ৩ হাজার শ্রমিকদের ২১ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা বকেয়া রয়েছে যা দ্রুত পরিশোধ করা প্রয়োজন।

ইউএইচ/





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply