উইন্ডিজের বিপক্ষে একাদশে থাকতে পারেন ৪ স্পিনার

|

কাল শুরু হচ্ছে উইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্টের ময়দানি লড়াই। আর এই একাদশে থাকতে পারেন ৪ স্পিনার। কন্ডিশন এবং শক্তিমত্তা বিবেচনায় যদি ৪ পেসার নিয়ে খেলা যায় তাহলে ৪ স্পিনার কেনো নয়?

সাকিব, তাইজুল, মিরাজ, নাইম এর আগে এই ৪ স্পিনার মিলে উইন্ডিজের সাথে ২ টেস্টে নিয়েছিলেন ৪০ উইকেট।

ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো, সদা হাস্যরসাত্মক ভঙ্গিতে থাকা ক্যারিবিয় সাগরের ব্রেদার্ন কোর্টের একজন পাইরেট লর্ড। স্প্যারোর বিপরীতে ছিল হেনরি মরগান, ক্যাপ্টেন কিড, ফ্রান্সিস ড্রেকের মতো কিছু কুখ্যাত পাইরেট, যাদের ভয়ে চুপসে যেতো সাগর পাড়ের বণিকরা।

ক্রিকেটের বাইশ গজে ওইসব কুখ্যাত পাইরেটসরা না থাকলেও ছিলো ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারোর মতো কোল্ড ব্লাডেড ফাস্ট বোলার। রবার্টস, হোল্ডিং, গার্নার, ক্রফট- ৭০ এর শেষ থেকে ৮০’র দশকে এই চার মিলে রচনা করেছিলেন পেস লাইক ফায়ারের মহাকাব্য। যাদের গতি আর স্কিলের সামনে রীতিমত হাঁটু কাপতো ব্যাটসম্যানদের। একসঙ্গে এই ৪ পেসার মিলে খেলেছেন ১১টি ম্যাচ, যার ৫টি জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ৫টি হয়েছিল ড্র।

শক্তিমত্তা আর কন্ডিশন বুঝে যদি ৪ পেসার খেলানো যায়, তাহলে ৪ স্পিনার নয় কেনো? ২০১৮ সালে উইন্ডিজের সাথে হোম সিরিজে দিন বদলের সেই বার্তাই দিয়েছিলেন তৎকালীন বাংলাদেশ ক্যাপ্টেন সাকিব আল হাসান। সাকিব-তাইজুল-মিরাজ-নাইম; এই চার মিলেই চুপসে দিয়েছিলেন ক্যারিবিয়ান ব্যাটিং লাইন আপকে। দুই টেস্টে এই ৪ স্পিনার মিলে নিয়েছিলেন ৪০ উইকেট।

এখন পর্যন্ত এই ৪ জন মিলে ৩ টেস্টে মোট উইকেট নিয়েছেন ৫৮টি। যেখানে সব থেকে বেশি উইকেট মেহেদী হাসান মিরাজের ১৮টি, ১৬ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন তাইজুল, সাকিবের উইকেট ১৪টি আর নাইমের রয়েছে ১০টি উইকেট। সাকিব বাদে প্রত্যেকেই ইনিংসে একবার হলেও ৫ উইকেট নিয়েছেন।

সুখের মাঝে দুঃস্মৃতি বলতে ৪ জন মিলেও জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বাঁচাতে পারেননি আফগান লজ্জা, যেখানে কারণটা অবশ্য ব্যাটিং ব্যর্থতা। নিজেদের স্পিনিং ট্র্যাকের জালে নিজেরাই ফেঁসেছিল বাংলাদেশ।

আবারও জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম, তবে আফগানিস্তান আর উইন্ডিজের স্পিন শক্তিমত্তা এক নয়, তাই ধরেই নেয়া যায় কন্ডিশনটা স্পিন সহায়কই হবে, আর অস্ত্রভাণ্ডারে থাকবে ৪ স্পিনার। ময়দানি ক্যাপ্টেন না হলেও এই স্পিন আক্রমণের ক্যাপ্টেন থাকবেন কুল ব্লাডেড সাকিব আল হাসান।

ইউএইচ/









Leave a reply