‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার’ পেলো বিএটি বাংলাদেশ

|

দেশের শিল্পখাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় মর্যাদাপূর্ণ ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার ২০১৮’ এর প্রথম পুরস্কার পেলো ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (বিএটি বাংলাদেশ)।

সোমবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির কাছে পুরস্কার হস্তান্তর করা হয়। বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে বিএটি বাংলাদেশকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের কাছ থেকে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি গ্রহণ করেন বিএটি বাংলাদেশের লিগ্যাল অ্যান্ড এক্সটারনাল অ্যাফেয়ার্সের প্রধান মুবিনা আসাফ।

এসময় মহামান্য রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন। শিল্পখাতের উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় মোট ৬টি ক্যাটাগরিতে ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার ২০১৮’ প্রদান করা হয়েছে। পুরস্কারটি দেশের শিল্প উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার ক্ষেত্রে বিএটি বাংলাদেশের অব্যাহত প্রচেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ একটি স্বীকৃতি।

বিএটি বাংলাদেশের লিগ্যাল অ্যান্ড এক্সটারনাল অ্যাফেয়ার্সের প্রধান মুবিনা আসাফ, এই সম্মানজনক পুরস্কার প্রদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার বিশেষত শিল্প মন্ত্রণালয়কে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

তিনি বলেন, দেশে শিল্পোন্নয়নে বিএটি বাংলাদেশের ধারাবাহিক অবদানের সম্মানজনক স্বীকৃতি এই পুরস্কার। আমাদের কোম্পানির সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো “মানবসম্পদ”। বিএটি বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বিগত ১০ বছরে আমরা প্রযুক্তিগত বিনিয়োগের পাশাপাশি নিয়মিতভাবে আমাদের কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে আসছি।

এতে বিএটি বাংলাদেশ একটি বহুজাতিক কোম্পানি হওয়া সত্ত্বেও সম্পূর্ণ দেশীয় মেধাশক্তি দিয়ে সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে। আমাদের এখানকার প্রায় ১,৫০০ কর্মীর মধ্যে মাত্র তিন জন বিদেশি কাজ করছেন। উপরন্তু ৫০ জনেরও বেশি বাংলাদেশি বিএটি বাংলাদেশ থেকে এখন বিভিন্ন দেশে কর্মরত।

তিনি বলেন, অত্যন্ত গর্বের বিষয় যে শুধু কর্মকর্তাই নয়, বর্তমানে আমাদের কারখানার মেশিন অপারেটররাও নিয়মিতভাবে সিঙ্গাপুর, পোল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও পাপুয়ানিউগিনিতে সেই দেশের কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিপুল জনশক্তির এ দেশে মানব সম্পদের দক্ষতা উন্নয়নে এখনও অবারিত সুযোগ রয়েছে বলে আমি মনে করি। বিএটি বাংলাদেশে দক্ষ মানব সম্পদ উন্নয়নে বিভিন্নভাবে ভূমিকা রাখার চেষ্টা অব্যাহত রাখতে বদ্ধ পরিকর।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার এবং এফবিসিসিআই-এর সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম। পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন শিল্প সচিব কে এম আলী আজম।









Leave a reply