বস্তি উচ্ছেদে পরিকল্পিতভাবে আগুন দেয়া হয় বলে অভিযোগ

|

ফাইল ছবি।

রাজধানীর বস্তিগুলোতে প্রায় প্রতিনিয়তই ঘটছে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। এগুলো অগ্নিসংযোগ না দুর্ঘটনা এ নিয়ে রয়েছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।

তবে ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বস্তিতে লাগা আগুনের বেশিরভাগই অবৈধ গ্যাস আর বিদ্যুৎ সংযোগের কারণে। এসব আগুনে পুড়েছে দিন এনে দিন খাওয়া লাখো মানুষের স্বপ্ন।

হরহামেশা ঢাকার বস্তিগুলোতে ঘটছে এ আগুনের ঘটনা। এতে নিম্ন আয়ের মানুষগুলোকে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করতে হচ্ছে মাথা গোঁজার একটু ঠাঁইয়ের জন্য। এদেরই একজন নিলুফা বেগম। বিশ বছরের বস্তি জীবনে আগুনে ঘর হারিয়েছেন চারবার। এরকম অসংখ্য নিলুফা বেগম বসবাস করছে বস্তিগুলোতে।

বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক (অপারেশন) মো. আব্দুল হালিম পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানান, ২০২০ সালের অক্টোবর পর্যন্ত শুধু রাজধানীর বস্তিগুলোতে ২৭টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্টে দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অবৈধ গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে আগুনের সূত্রপাত।

তবে এর সাথে একমত নন বস্তিবাসী। তাদের দাবি, বস্তি উচ্ছেদে পরিকল্পিতভাবে আগুন দেয়া হয়। এজন্য এক বস্তিতে বার বার আগুনের ঘটনা ঘটছে। বলাবাহুল্য, যেভাবেই ঘটুক অগ্নিকাণ্ড তা বস্তিবাসীর জন্য অভিশাপ। সব হারিয়ে নিঃস্ব মানুষগুলোর কষ্টের যেন শেষ নেই। তাই শুধু আশ্বাস নয় স্থায়ী পুনর্বাসন চান তারা। একইসাথে অগ্নি দুর্ঘটনা কমাতে অবকাঠামো উন্নয়নের বিকল্প নেই বলে মনে করেন বস্তিবাসী।









Leave a reply