মার্কিন নির্বাচন ঘিরে সহিংসতার শঙ্কা! বিভিন্ন রাজ্যে বেড়েছে আগ্নেয়াস্ত্রের বিক্রি

|

সত্তরোর্ধ দুই প্রার্থীর লড়াই নিয়ে এবার নজিরবিহীন উত্তেজনা যুক্তরাষ্ট্রে। আগাম ভোট বেশি পড়ায় ফলাফল বিলম্বিত হওয়ার পাশাপাশি আছে অস্থিরতার শঙ্কাও। পরিস্থিতি এমন যে, সহিংসতা হবে ধরে নিয়ে আগাম প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছেন অনেকে। বিশৃঙ্খলার শঙ্কায় এমনকি আত্মরক্ষার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন কেউ কেউ। বিভিন্ন রাজ্যে বেড়েছে আগ্নেয়াস্ত্রের বিক্রি। ট্রাম্পের ঘোষণা আর সমর্থকদের মারমুখী অবস্থান ঘিরেই সহিংসতার শঙ্কা বিশ্লেষকদের।

প্লাইউড দিয়ে ঢাকা হচ্ছে দোকানের জানালা। কাঠ দিয়ে যেনো তৈরি হচ্ছে ছোটখাটো দুর্গ। সবই করা হচ্ছে সহিংসতার শঙ্কা থেকে। চারিদিকে বাড়তি নিরাপত্তা। নাগরিকদের মনে নজিরবিহীন সহিংসতার আশঙ্কা প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ঘিরে। ভোটের ফল আসতে দেরি হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা, এমনকি দাঙ্গা-হাঙ্গামাও হতে পারে।

সাধারণত, জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেন যুক্তরাষ্ট্রে নতুন প্রেসিডেন্ট। সচরাচর নভেম্বরে ভোটের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার রাতেই স্পষ্ট হয়ে যায় কে যাচ্ছেন হোয়াইট হাউসে। উদযাপন করেন জয়ী প্রার্থী, হার স্বীকার করেন পরাজিত জন। এ চর্চায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে এবার। রেকর্ড সংখ্যক ‘মেইল-ইন’ ভোট গণনায় লাগবে লম্বা সময়। পূর্ণাঙ্গ ফল পেতে, অপেক্ষা করতে হতে পারে কয়েক সপ্তাহ।

মেইল-ইন ভোট ও গণনার স্বচ্ছতা নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন ট্রাম্পের। ভোটকেন্দ্র পাহাড়ার কথাও বলেছেন। বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা আছে দুই পক্ষের মাঝেই।

লয়োলা ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের অধ্যাপক জাস্টিন লেভিট বলেন, প্রেসিডেন্টের চরিত্রের কারণেই মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বেশি। ভোটের ফল মানবেন কিনা-সে প্রতিশ্রুতিও দেননি। নির্বাচনে কী হবে তা তিনি নির্ধারণ করতে পারবেন না-এটা ঠিক। কিন্তু, তার কারণেই একটা অনিশ্চয়তা, যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।

জর্জটাউনের বাসিন্দা আইনের অধ্যাপক জশুয়া গেলজার বলেন, ফলাফল হতে দু-একদিন দেরি হওয়া যে স্বাভাবিক বিষয়, তা বুঝতে পারা খুবই জরুরি আমেরিকানদের জন্য। ফলাফল প্রকাশে দেরি হওয়া মানেই অন্যায় কিছু নয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প বরাবরের মতোই ভুল তথ্য ছড়াচ্ছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, জয়-পরাজয়ের ব্যবধান বড় হলে অস্থিরতার সুযোগ কম। ব্যবধান কম হলে সুপ্রিম কোর্টে গড়াতে পারে লড়াই। যেখানে সুবিধাজনক অবস্থায় আছেন ট্রাম্প।









Leave a reply