বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ আইন’র খসড়া অনুমোদন

|

ফাইল ছবি।

নীতিমালা দিয়ে সম্ভব হচ্ছে না বলে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ আইন ২০২০, খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সোমবার দুপুরে মন্ত্রী পরিষদ বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে নীতিমালা দিয়ে আর সম্ভব হচ্ছে না বলে আইন আনা হয়েছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগ থেকে আইন এসেছে বলেও জানান তিনি।

খসড়ার উল্লেখ করা হয়, প্রতি দশ জন শিক্ষার্থী জন্য ১ জন শিক্ষক থাকতে হবে, ৭৫ শতাংশ শিক্ষক স্থায়ী হতে হবে, মেডিকেল কলেজ চালু করার জন্য কমপক্ষে ৫০ জন শিক্ষার্থী লাগবে, অনুমোদনের জন্য তহবিল থাকতে হবে ৩ কোটি ও ২ কোটি, মেডিকেল বর্জ্য অপসারণের ব্যবস্থা থাকতে হবে, কমপক্ষে তিন একর ঝামেলাহীন জমি থাকতে হবে; মেট্রোপলিটন হলে ২ একর থাকতে হবে।

এছাড়া প্রতিষ্ঠানে মোট আসনের ১০ শতাংশ আসন গরীব মানুষদের জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে, বিনামূল্যে সেবা দিতে হবে, মেডিকেল কলেজে ২৫০ শয্য্যা এবং ডেন্টালে ৫০ শয্যা থাকতে হবে, আইন অমান্য করলে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে। এতইসাথে অনুমোদন বাতিল হবে।

আইনে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রতিটি বিভাগের মেডিকেল কলেজগুলো মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা পরিচালিত হবে। যদি না থাকে তাহলে তাদের বলা হবে কোন প্রতিষ্ঠান দ্বারা তারা পরিচালিত হবে।

উল্লেখ্য, রাজধানীসহ সারাদেশে ৯৫টি বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ পরিচালনার জন্য কোনো আইন ছিলো না। বর্তমানে সারাদেশে বেসরকারি পর্যায়ে ৬৯টি মেডিকেল কলেজ ও ২৬টি ডেন্টালসহ মোট ৯৫টি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ পরিচালিত হচ্ছে।

১৯৮৫ সালে দেশে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বেসরকারিভাবে মেডিকেল শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু সে সময় থেকে কোনো প্রকার বিধিবদ্ধ আইন না থাকায় শুধু নীতিমালার ভিত্তিতেই এসব প্রতিষ্ঠান খেয়াল-খুশি মতো পরিচালিত হতো।









Leave a reply