লটারি নিয়ে মেক্সিকোতে তুলকালাম, জিতলে মিলবে বিলাসবহুল প্রেসিডেন্সিয়াল বিমান

|

লটারি নিয়ে তুলকালাম চলছে মেক্সিকোতে। ১০ লাখ ডলার করে দেয়া হবে পুরস্কার, তাও আবার ১০০ জনকে। তাই র‍্যাফেল ড্র’র আগেই গেল কয়েকদিন ধরেই এ নিয়েই ব্যস্ততা মেক্সিকোর লটারি হাউজগুলোতে সরকারি র‍্যাফেল ড্রতে নাম উঠেছে কি না জানতে ভিড় উৎসাহীদের। টিকিট বিক্রির স্টলে ভিড় তো আছেই। সব মিলিয়ে পুরো মেক্সিকোই যেন মাতোয়ারা লটারির নেশায়।

দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্টের বিলাসবহুল বিমান বিক্রির লক্ষ্যে লটারির আয়োজন করা হয়। তাতে সাড়া না পাওয়ায় সরাসরি আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণা দেয় দেশটির সরকার। স্বাস্থ্য সরঞ্জাম কিনতে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয় লটারির।

এই তুলকালাম কাণ্ডের শুরু সাবেক প্রেসিডেন্ট এনরিকে পেনা নিয়েতোর বিলাসবহুল বিমান ঘিরে। এটিকে দুর্নীতির প্রতীক আখ্যা দিয়ে লটারির মাধ্যমে বিক্রির উদ্যোগ নেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ ম্যানুয়েল লোপেজ। কিন্তু বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের রক্ষণাবেক্ষণের ব্যাপক খরচের কথা মাথায় রেখে তেমন সাড়া দেননি মেক্সিকানরা। পরে অর্থ পুরষ্কারেরই ঘোষণা দেন লোপেজ। মোট ১০০ বিজয়ীকে দেয়া হবে ১০ লাখ ডলার করে।

লটারীর ক্রেতারা বলছেন, যদি র‍্যাফেল ড্রতে জিতেই যাই তাহলে সব অর্থ মানুষের জন্যই ব্যয় করবো। এই ড্রয়ের মুল লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ। তাই আমি চাইবো যারাই লটারি জিতবে, তারা যেন সেই অর্থ মানুষের জন্যই ব্যয় করে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এরইমধ্যে ৪২ লাখের বেশি টিকিট বিক্রি হয়েছে; প্রতিটি ৫০০ পেসো বা ২৫ ডলার করে। তবে বিমান বিক্রিতেও হাল ছাড়েনি মেক্সিকো সরকার। দেশের বাইরেও খোঁজা হচ্ছে ক্রেতা। লক্ষ্য সব অর্থ ব্যয় হয়ে চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ে।

মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ ম্যানুয়েল লোপেজ বলেন, চিকিৎসা সামগ্রী কেনার জন্য আমরা প্রায় ২ বিলিয়ন পেসো পেতে যাচ্ছি। আশা করছি বিমান বিক্রি করে আরও ২ বিলিয়ন পেসো পাওয়া যাবে।

মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে ন্যাশনাল লটারির ফল ঘোষণা।





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply