পর্যাপ্ত সুরক্ষাব্যবস্থা না নিলে স্বাভাবিক জীবনের ফেরার পরিণাম হবে ভয়াবহ: ডব্লিউএইচও

|

পর্যাপ্ত সুরক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত না করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার উদ্যোগ নিলে, তার পরিণাম হবে ভয়াবহ। হুঁশিয়ারি- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার। বলছে, অর্থনীতির গতি ফেরাতে সব খুলে দেয়ার বিকল্প নেই। কিন্তু তাড়াহুড়ো করে এ সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না। এদিকে, মহামারিতে নারীর প্রতি বৈষম্য আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে বলে উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘ।

মহামারির তীব্রতা না কমলেও, অনেক দেশেই চাপ বাড়ছে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার। ইউরোপের কিছু দেশে চলছে রীতিমতো আন্দোলন। চাপ বাড়ছে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুরোদমে চালু করারও। এ পরিস্থিতিতে, তাড়াহুড়ো না করার পরামর্শ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম বলেন, “আমরাও চাই জীবন স্বাভাবিক হোক। শিশুরা স্কুলে, বড়রা কর্মক্ষেত্রে ফিরুন। কিন্তু এই ফেরাটা নিরাপদ হোক। কোনো দেশই দাবি করতে পারে না যে, মহামারি পুরো নিয়ন্ত্রণ করে ফেলেছে। স্বাস্থ্যবিধির বিরোধিতাকারীদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, ভাইরাসটি প্রাণঘাতী এবং খুব দ্রুত ছড়ায়। অনিয়ন্ত্রিত জীবন মহামারিকে আরও দীর্ঘায়িত করবে।”

এদিকে, জাতিসংঘ সতর্ক করেছে, করোনাকালে বিশ্বজুড়ে দৃশ্যমান হয়েছে নানা ধরনের বৈষম্য।

জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেন, “মহামারির এ সময়ে নারী-পুরুষ ভেদাভেদ আর নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ তীব্র হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের বেশিরভাগই নারী। অথচ সুরক্ষা পোশাক পর্যন্ত তৈরি হয় পুরুষদের শরীরের মাপে। স্বাস্থ্যখাতের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও নিতে পারেন বড়জোর ৩০ শতাংশ নারীকর্মী।”

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরিপ বলছে, মহামারির কারণে ৯০ শতাংশ দেশে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। টিকাদান, পরিবার পরিকল্পনা, ক্যান্সারের চিকিৎসাসহ নিয়মিত কার্যক্রমের ৭০ শতাংশই এখন অনিয়মিত।









Leave a reply