তুরস্ককে কোণঠাসা করতে গ্রিসের সাথে মিশরের চুক্তি

|

সমুদ্রসীমা নিয়ে তুরস্ক-গ্রীসের বিরোধ দীর্ঘদিনের। প্রেসিডেন্ট এরদোগানের নেতৃত্বে দিন দিন তুরস্কের আঞ্চলিক প্রভাব বাড়ায়, জলসীমার নিয়ন্ত্রণ রাখতে তৎপরতা বাড়িয়েছে গ্রিসও। দুদিনের ব্যবধানে, মিসর ও ইতালির সাথে চুক্তির অনুমোদন দিয়েছে দেশটির পার্লামেন্ট। ফলে ভূমধ্যসাগরে একপ্রকার কোণঠাসা পরিস্থিতিতে তুরস্ক।

বলা হচ্ছে, লিবীয় সমুদ্রসীমায় তুরস্কের খনিজ সম্পদ সন্ধান বাধাগ্রস্ত করবে এথেন্স-কায়রো এবং এথেন্স-রোম চুক্তি।

গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোতাকিস বলেন, “প্রতিবেশিদের সাথে শান্তি রক্ষায় গ্রিসের ভূমিকা ঐতিহাসিক। বিশেষ করে ভূমধ্যসাগরের পূর্বাঞ্চল আর এইজিয়ান সাগরে তুরস্কের সাথে সমুদ্রসীমা নিয়ে যে বিরোধ আছে, তা নিষ্পত্তির উপায় একটিই। আঙ্কারাকে উস্কানিমূলক আচরণ বন্ধ করে আলোচনা শুরু করতে হবে।”

আগামী সপ্তাহে সমুদ্রসীমার বিতর্কিত অংশে তুরস্কের সামরিক মহড়ার ঘোষণার পরই নড়েচড়ে বসে গ্রিস। বিষয়টি নিয়ে ক্রমেই উত্তেজনা বাড়ছে দুই দেশের মধ্যে।

ন্যাটো মহাসচিব জেন্স স্টোলটেনবার্গ বলেন, “তুরস্ক আর গ্রিস- উভয়পক্ষই ন্যাটো মিত্র। দেশ দু’টোকে আলোচনার টেবিলে আনতে জার্মানি মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে। এতে আমাদের পূর্ণ সমর্থন আছে। খুব স্বল্প এলাকায় সামরিক শক্তিধর অনেকগুলো দেশের জাহাজ থাকা এমনিই উদ্বেগজনক।”

গ্রিসের সমুদ্রসীমা সম্প্রসারণের পদক্ষেপ গোটা অঞ্চলকে যুদ্ধ পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেবে বলে আগেই হুঁশিয়ার করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট।









Leave a reply