২০২১ সালেই নিজস্ব ভ্যাকসিন বাজারে আনতে চায় কিউবা

|

নিজস্ব ভ্যাকসিন বাজারে আনতে চায় কিউবা। ২০২১ সালের মধ্যেই তারা এর বাজারজাত করতে আগ্রহী। প্রাণীদেহে সাফল্যের পর, আগামী সপ্তাহে মানবদেহে চালাবে পরীক্ষা।

এর জন্য বাছাই করা হয়েছে ১৯ থেকে ৮০ বছরের ৭শ’ জনকে। দেশটির প্রেসিডেন্টের বক্তব্য, প্রত্যেক নাগরিকের হাতে টিকা পৌঁছে দিতে দায়বদ্ধ সরকার।

সোয়া কোটি জনসংখ্যার এ দেশটিতে প্রতি এক হাজার জনের মধ্যে নয় জনই পেশায় চিকিৎসক। করোনা মহামারির মধ্যে বিশ্বের অর্ধশতাধিক দেশে ২৯ হাজারের বেশি পেশাদার চিকিৎসক পাঠিয়েছে দেশটি। এবার ভ্যাকসিন উৎপাদনেও অগ্রগতির খবর জানালো দেশটি।

কিউবার এক গবেষক ভাইসেন্ট ভেরেজ বেনকোমো জানান, ‘সভ্রেইন 01’ নামের ভ্যাকসিনটি অবিষ্কারে প্রাথমিক সফলতা মিলেছে। মানবদেহে সফল হলে আগামী বছরের মধ্যে বাজারে আনা সম্ভব বলে মনে করছি।

তিনি জানান, ইদুরের ওপর পরীক্ষা চালানো হয়েছে। এতে ৭ দিনের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ এন্টিবডি তৈরি হয়েছে। খরগোশের ওপর যা আরও বেশি কার্যকর। এমন প্রাণীর মধ্যে আরও পরীক্ষা নিরিক্ষা চলছে।

বিজ্ঞানীদের দাবি, মোট দু’টি করে ডোজ দুই ধাপে প্রয়োগ করা হবে মানব শরীরে। এ জন্য বাছাই করা হয়েছে ৬৭৬ জনকে। এছাড়া বিশ্বের অন্যান্য দেশে যেখানে কোভিডের ভয়াবহতা বেশি সেখানেও পরীক্ষা চালানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ ক্যানেল জানান, এই মহামারি পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে আমাদের আরও দায়িত্ববান হতে হবে। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই কাজ করতে হবে সবাইকে। যেন প্রত্যেকের কাছেই পৌঁছানো যায় ভ্যাকসিন। আমাদের বিজ্ঞানীদের সেই সামর্থ্য রয়েছে।

বিশ্বে ১৭০টির মতো ভ্যাকসিনের ওপর কার্যক্রম চলছে। এই মুহূর্তে প্রথম ধাপে রয়েছে ২১টি কার্যক্রম, দ্বিতীয় ধাপে ১৩টি তৃতীয় বা শেষ ধাপে রয়েছে ৮টি এবং সীমিত ব্যবহারে অনুমোদ পেয়েছে মাত্র ২টি ভ্যাকসিন। এদিকে, রাশিয়ার তৈরি ভ্যাকসিন কিভাবে মূল্যায়ন করা হবে তা নিয়ে মস্কোর সাথে আলোচনা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।









Leave a reply