কিউবায় করোনার পাশাপাশি বড় উদ্বেগ খাদ্য নিরাপত্তা

|

কিউবায় করোনাভাইরাসের পাশাপাশি বড় উদ্বেগ খাদ্য নিরাপত্তা। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, মহামারি’সহ নানা কারণে বেশ কিছুদিন ধরে খাদ্য স্বল্পতায় ভুগছে দেশটি। আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে স্বনির্ভর কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। জোর দেয়া হচ্ছে শহরাঞ্চলে অর্গানিক চাষের ওপর।

কিউবায় কমিউনিস্ট সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে অনেকেই বনেছেন শহুরে চাষী। আঙিনা, বারান্দা, কিংবা রাস্তার পাশেই চলছে খাদ্যশস্যের উৎপাদন।

প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দুই-তৃতীয়াংশই আমদানি করে কিউবা। এতে বার্ষিক ব্যয় হয় অন্তত ২শ’ কোটি ডলার। কৃষিকাজে অত্যাবশ্যকীয় সার, যন্ত্র, এমনকি পশুখাদ্যও আমদানি করে ক্যারিবিয়ান দেশটি।

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা, অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত মিত্র দেশ ভেনেজুয়েলা থেকে আমদানি কমে যাওয়া, দেশীয় উৎপাদন হ্রাস ইত্যাদি নানা কারণে বেশ কিছুদিন ধরেই খাদ্য সংকটে ভুগছে দেশটি। কোভিড নাইনটিন মহামারিতে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে আরও। তাই দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

কৃষিকাজে নাগরিকদের উদ্বুদ্ধ করতে লিফলেট বিলি করা হচ্ছে। গণমাধ্যমে প্রচারণার মাধ্যমে উৎসাহিত করা হচ্ছে অর্গানিক চাষে। কিছু কিছু এলকায় স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করছেন কমিউনিস্ট পার্টির কর্মীরা। খাদ্যের উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত পুরো কাঠামোয় পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দিয়েছে কিউবান সরকার।

৯০এর দশকের শুরুতে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর প্রথম খাদ্য সংকটে পড়েছিল কিউবা। ওই সময়েই অর্গানিক কৃষিকাজে পথিকৃত হয়ে ওঠে দেশটি।









Leave a reply