নেপালের নিরাপত্তারক্ষীর গুলিতে ভারতীয় নিহত

|

সীমান নিয়ে দিল্লি-কাঠমান্ডু উত্তেজনার মধ্যেই এবার নেপালের নিরাপত্তারক্ষী বাহিনীর গুলিতে এক ভারতীয় নিহত হয়েছে। সীমান্তরেখা অতিক্রমকে কেন্দ্র করে শুক্রবারের ওই ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আরও ২ ভারতীয়। সম্প্রতি একাধিক সীমান্ত এলাকা নিজেদের অন্তর্ভূক্ত করে নেপাল। ভারত আপত্তি জানালেও, তা অগ্রাহ্য করেই নতুন মানচিত্র প্রকাশ করে কাঠমান্ডু।

গেল কয়েকদিন ধরেই সীমান্ত নিয়ে উত্তেজনার পারদ চড়া দিল্লি-কাঠমান্ডু সম্পর্কে। এরমধ্যেই বিহারের ভারত-নেপাল সীমান্তে ঘটলো গোলাগুলির ঘটনা।

শুক্রবার লালবন্দী জানকি নগর সীমান্ত এলাকায় নেপালের নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ যায় এক ভারতীয়। কাঠমান্ডুর দাবি সীমানা অতিক্রম করে নেপাল অংশে প্রবেশ করায় গুলি করতে বাধ্য হয় তারা। যদিও এই দাবি অস্বীকার করেছে ভারত।

এসএসবি’র ডিজি কুমার রাজেশ চন্দ্র বলেন, সকাল সাড়ে ৮টা বা ৯ টার দিকে, স্থানীয় গ্রামবাসীদের সাথে সংঘর্ষ হয়। এ ঘ্টনার সময় নেপালের নিরাপত্তা বাহিনী আমাদের বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। বিষয়টি আমাদের কর্মকর্তারা তদন্ত করছেন।

সম্প্রতি লিপুলেখ, কালাপানি এবং লিম্পিয়াধাউরা এলাকাকে নিজেদের ভূখন্ড দাবি করে নেপাল। ১৮১৬ সালের সুগাউলি চুক্তি অনুযায়ী এই দাবি করা হয়। ভারত আপত্তি জানালেও তাতে কর্ণপাত না করেই তিন এলাকাকে নিজেদের মানচিত্র অন্তর্ভূক্ত করে নেপাল। বিষয়টি উত্তেজনার সৃষ্টি হলে, ভারতের সাথে আলোচনার আহ্বান জানায় কাঠমান্ডু।

নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা বলেন, ঐতিহাসিকভাবেই এই তিনটি এলাকা আমাদের। অঞ্চলগুলোয় ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনের পর থেকেই সেখানে নেপালিদের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। এভাবে তারা ওই এলাকা তিনটি দখল করে। আমরা আমাদের ভূমি ভারতকে দেবো না। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনে ভারতের সাথে আলোচনায় বসবো।

এরআগে লাদাখ সীমান্তে চীনের সাথে সীমারেখা নিয়ে বিরোধে জড়ায় ভারত। চীনের দাবি আলোচনার পর সামরিক উত্তেজনা কমেছে দু’তরফেই। তবে সীমান্ত এলাকায় এখনও সতর্কাবস্থায় দুই দেশের নিরাপত্তা বাহিনী।









Leave a reply