নীতিমালার আওতায় আসছে উবার-পাঠাও, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

|

সহজে সেবা পাওয়ায় জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে উবার-পাঠাওসহ অ্যাপ ভিত্তিক বিভিন্ন যাত্রী পরিবহন। তবে ব্যক্তিগত মোটরযান ভাড়ায় চালানোর জন্য দেশে আইন বা বিধি-বিধান না থাকায় আছে বিশৃঙ্খলার শঙ্কা।

বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ‘রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালা’র খসড়া অনুমোদন করলো মন্ত্রিসভা। আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সেবা প্রদানকারী মোটরযান কোম্পানি বা মালিককে বিআরটিএ থেকে সনদ নিতে হবে তালিকাভুক্তির।

যাত্রী চাহিদা, সড়কের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী সেবার ক্ষেত্র নির্ধারণ করবে বিআরটিএ। মালিক ও চালকের মধ্যে থাকতে হবে সমঝোতা চুক্তি। তবে একজন মোটরযান মালিক একটি’র বেশি গাড়ি পরিচালনার অনুমতি পাবেন না। ভাড়া নির্ধারণে গুরুত্ব পাবে বিদ্যমান ট্যাক্সিক্যাব গাইড লাইন।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, নীতিমালা ভঙ্গ করলে সনদ বাতিলের মতো শাস্তির বিধানও থাকছে।

তবে এতে কোনো ধরনের জরিমানার উল্লেখ নেই।

রাইডশেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালাকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন যাত্রী ও সেবাপ্রদানকারীরা। সেবার মান বাড়ানো, নিরাপত্তা ও ভাড়া নিয়ন্ত্রণে রাখার দাবি যাত্রীদের। তবে নীতিমালার কারণে যেন নতুন দুর্ভোগ তৈরি না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখার ওপরও জোর দিলেন যাত্রীরা।

দেশে প্রথম ২০১৬ সালের ৮ মে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ চালু করে ‘ডাটাভক্সসেল লিমিটেড’ শেয়ার এ মোটরসাইকেল (স্যাম) নামে। এরপর ২০১৬ সালের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক উবার অ্যাপভিত্তিক ট্যাক্সি সেবা চালু করে। পাঠাও নামের এক ক্যুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠান মোটরসাইকেলে ‘চালক নিয়োগ’ দিয়ে শুরু করে রাইড শেয়ারিং। বর্তমানে দেশে এক ডজনেরও বেশি অ্যাপ ভিত্তিক পরিবহন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।









Leave a reply