বাংলাদেশের মাছের ঝোলের ভীষণ ভক্ত ওয়াসিম আকরাম

|

বাংলাদেশের মাছের ঝোলের ভীষণ ভক্ত ওয়াসিম আকরাম

আকরাম, নান্নু, পাইলটের সাথে তামিমের আড্ডায় ছিলেন ওয়াসিম আকরামও।

বাংলাদেশের ক্রিকেটের উত্থানের পেছনে ক্লাব ক্রিকেটের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানি ক্রিকেট কিংবদন্তী ওয়াসিম আকরাম। করোনাকালে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা তামিম ইকবালের ডিজিটাল আড্ডায় উপস্থিত হয়ে এসব বলেন আকরাম। মূলত, ১৯৯৭ আইসিসি ট্রফিজয়ী দলের তিন সদস্য- আকরাম খান, মিনহাজুল আবেদীন ও খালেদ মাসুদ ছিলেন তামিমের আড্ডার অতিথি। সেখানেই এক পর্যায়ে যোগ দেন ওয়াসিম আকরাম। নানা আলাপচারিতায় জানালেন, বাংলাদেশের মাছের ঝোলের বড় ভক্ত তিনি।

আকরাম খান, মিনহাজুল আবেদীন ও খালেদ মাসুদ যেন স্মৃতির মানসপটে তুলে আনলেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের উঠে আসার সেই দিনগুলির কথা। ১৯৯৭ আইসিসি ট্রফিতে লড়াই, ত্যাগ, আবেগ, যা ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভিত্তি, পেশাদারী যুগে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ শতক ও রান সংগ্রাহক তামিম ইকবাল সেটিকেই স্মরণ করলেন গভীর শ্রদ্ধায়।

আকরাম খানের ঐ দলটিতে বলতে গেলে ১৫ জনের স্কোয়াডের সবাই ছিলেন অলরাউন্ডার, জানতেন কমবেশি ব্যাট করতে। বৃষ্টির মাঝেও- স্কটল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড, কেনিয়া বাঁধা পার হতে সেটিই ছিল মূল শক্তি। আলোচনায় সবাই মেনে নিলেন সেটি।

সেই আলোচনার পথ ধরেই আড্ডায় উপস্থিত হন সর্বকালের সেরা বাঁহাতি পেস-অলরাউন্ডার ওয়াসিম আকরাম। ৯২’র বিশ্বচ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান দলের প্রাণভোমরার কণ্ঠে বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রশস্তি। বললেন, তারকাখ্যাতির শীর্ষে থেকেও ১৯৯৫ সালে কেন আবাহনীতে খেলেছিলেন তিনি, সেই গল্প। উঠে এলো বিখ্যাত সেই নো বলের প্রসঙ্গ।

সাকিব, তামিম, মুশফিক, মোস্তাফিজ বড় ভক্ত তিনি। পাশাপাশি, এদেশের মাছের ঝোলেরও বড় ভক্ত এ লিজেন্ড। তার সরল স্বীকারোক্তি, বাংলাদেশ আমার প্রিয় একটি জায়গা। বাংলাদেশের প্রকৃতি, মানুষ, খাবার সবই চমৎকার। ওখানে ক্রিকেট খুব জনপ্রিয়। আমি আবাহনীর হয়ে খেলেছি। বাংলাদেশের ক্রিকেটের দারুণ একজন ভক্ত আমি। বর্তমানে বাংলাদেশ অসাধারণ ক্রিকেট খেলছে। তুমি এবং সাকিব ভালো মানের ক্রিকেটার।

সুযোগ পেয়ে ক্রিকেট সম্পর্কিত নানা প্রশ্নের উত্তরও জেনে নেন তামিম, যার বড় অংশটিই ছিল পেস বোলিং প্রসঙ্গ। জানতে চান, যাদের বয়স ১৫-১৬ বছর তারা যদি ভালো পেসার হতে হয় তাহলে কী করতে হবে?

ওয়াসিম আকরামের উত্তর , বেশি বেশি অনুশীলন করতে হবে। প্রচুর ম্যাচ খেলতে হবে। টি-টোয়েন্টি ম্যাচ না, দুইদিনের, তিনদিনের, চারদিনের ম্যাচ। টি-টোয়েন্টি ফানি ক্রিকেট। টাকা আয় করা যায়। কিন্তু ভালো ক্রিকেটার হতে হলে অবশ্যই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলতে হবে, টেস্ট ক্রিকেট খেলতে হবে।









Leave a reply