তামিমের কাছে রহস্য ফাঁস করলেন কোহলি

|

তামিমের কাছে বড় স্কোর তাড়া করার রহস্য ফাঁস করলেন ভিরাট কোহলি।

শ্রীলঙ্কার মাটিতে ভিরাট কোহলিকে প্রথমবার দেখেছিলেন তামিম ইকবাল। সেই সাধারণ কোহলি পরের ২/৩ বছরে কীভাবে বদলে গেছেন সেটাও দেখেছেন, বাংলাদেশের ব্যাটিং স্তম্ভ। কীভাবে এতটা বদলে গেছেন কোহলি- এই প্রশ্ন শুধু তামিমের একার না, তার সমস্ত টিমমেটদেরও! ফেইসবুক আড্ডার শুরুতেই তামিম সেই প্রশ্নটি রেখেছিলেন এই মুহূর্তে বিশ্বসেরা ব্যাটসম্যানের কাছে। জানালেন সাফল্যের পেছনে রয়েছে আত্মবিশ্বাস ও ছোটবেলার প্রেরণা। বললেন ছোটবেলা থেকেই মানসিকতা গড়ে নিয়েছিলেন, লক্ষ্য স্থির করে ফেলেছিলেন, যে কারণে চাপ জয় করা এখন বেশ সহজ হয়ে গেছে!

লাইভের শুরুতে দুই ব্যাটসম্যান কুশলাদি বিনিময় করেন, পরিবারের খোঁজখবর নেন। তামিম ভিরাটকে ‘ভাই’ ও আনুশকা শর্মাকে ‘ভাবি’ সম্বোধন করেন। কোহলি তামিমের সঙ্গে লাইভের পর্বটিকে দারুণ প্রচেষ্টা বলে আখ্যা দেন। বলেন করোনা এমন একটি সুন্দর অবকাশের সুযোগ করে দিয়েছে। তবে পৃথিবী যেন দ্রুত করোনা মুক্ত হয় সে আকাঙ্ক্ষাও ব্যক্ত করেন তিনি।

রান তাড়া করায় ভারতীয় অধিনায়ক কোহলি সর্বকালের সেরা কিনা সেই প্রশ্ন এখনই উঠে গেছে তার অবিশ্বাস্য সাফল্য ও ধারাবাহিকতার কারণে! তামিমের প্রশ্ন ছিল মানসিকভাবে কীভাবে প্রস্তুতি নেন বড় লক্ষ্য তাড়া করার?

কোহলির জবাবটা অবশ্য খুবই রহস্য ও কৌতুকে ভরা, মানসিক প্রস্তুতি খুবই সোজা। মাঝে মাঝে তো মুশফিকরা সাহায্য করে। স্ট্যাম্পের পেছন থেকে ওরা কিছু একটা বলে বসে। তাতে আমি বাড়তি অনুপ্রাণিত হই।

নিজের সাফল্যের ব্যাপারে কোহলি বলেন, ছোটবেলা থেকেই মানসিকতা গড়ে নিয়েছি। তরুণদেরও সেটাই বলি। ছোটবেলায় যখন টিভিতে ম্যাচ দেখতাম, তখন ভারত যদি রান তাড়া করতে গিয়ে কোনো ম্যাচ হারতো আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতাম যে আমি থাকলে ঠিকই জিতে ফিরতাম। সত্যি বলছি, ছোটবেলা থেকেই এরকম ভাবতাম। আমি কঠিন পরিস্থিতিকে কখনো চাপ হিসেবে দেখি না, বরং সুযোগ হিসেবে দেখি। আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জয়ের পানে ছুটতে চাই!

২০০৯ সালের পর থেকে কোহলি বদলেছেন। তবে তার আগে দল থেকে বাদ পড়েছিলেন, সেই ব্যর্থতায় তাকে সাফল্যের পথ দেখায়, লাইভ আড্ডায় তামিমকে সেটিই জানালেন কোহলি।

উল্লেখ্য, এর আগে আরেক ভারতীয় ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মা যুক্ত হয়েছিলেন তামিম ইকবালের এই ডিজিটাল আড্ডায়।





সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply