নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনেই নির্বাচন: প্রধানমন্ত্রী

|

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অতীতের সফলতা-ব্যর্থতার মূল্যায়ন করে, ভুল-ত্রুটি শুধরেই সামনে এগিয়ে যাবে সরকার। মানুষের আস্থা নিয়ে রূপকল্প বাস্তবায়নে কাজ করতে চায় আওয়ামী লীগ। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো বিশেষ মহল অপচেষ্টা করতে পারে শঙ্কা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষকে সতর্ক থাকার আহবান জানিয়েছেন। আরও জানিয়েছেন, এ বছরের শেষ নাগাদ নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে।

২০১৪ সালে সরকারের গঠনের পর চার বছর পেরুলো আওয়ামী লীগ সরকারের। ক্ষমতার চার বছর পূর্তির দিনে সরকারের প্রধানের জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ নিয়ে আগ্রহ ছিলো সমগ্র জাতির। নির্বাচনপূর্ব বছরের শুরুতে সবার মূল আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু ছিল প্রধানমন্ত্রী ভাষণে কী থাকছে আগামী নির্বাচন সম্পর্কে?

প্রায় ২৬ মিনিটের বক্তব্যের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে উঠে আসে আগামী নির্বাচন ও নির্বাচনকালীন সরকার প্রসঙ্গ। প্রধানমন্ত্রী জানান, নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনেই হবে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী ২০১৮ সালের শেষ দিকে একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কীভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তা আমাদের সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা আছে। সংবধিান অনুযায়ী নির্বাচনের আগে নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে। সেই সরকার সর্বোতভাবে নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন পরিচালনায় সহায়তা দিয়ে যাবে।

নির্বাচন কমিশন গঠনে সবার সাথে রাষ্ট্রপতির আলোচনার বিষয় তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত সব দলই আগামী সাধারণ নির্বাচনে অংশ নেবে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন মহল অপচেষ্টা করতে পারে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহবান জানান।

ক্ষমতার ধারাবাহিকতায় সরকারের উন্নয়ন কাজের সাথে ১০ বছর আগের পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য দেশের মানুষের প্রতি অনুরোধ জানান। দলমতের উর্ধ্বে উঠে দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে সবার সহযোগিতাও চান শেখ হাসিনা।

মর্যাদাশীল জাতি হিসেবে বেঁচে থাকতে আওয়ামী লীগ সবসময়ই মানুষের পাশে থাকবে। এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী রূপকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অতীতের সফলতা-ব্যর্থতার মূল্যায়ন করে, ভুল-ত্রুটি শুধরেই সামনে এগিয়ে যাবে সরকার।

ভাষণের শুরুতে সরকারপ্রধান দেশের মানুষের কাছে সরকারের কাজে সফলতা আর ব্যর্থতা বিচারের দায়িত্ব তুলে দেন। সরকারের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি পূরণ ছাড়াও ব্যাখা দেন বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্পর্কেও।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে দেশকে একসময় করুণার চোখে দেখতো বিশ্ববাসী, তাদের কাছেই এখন উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে সম্মানিত হচ্ছে বাংলাদেশ।









Leave a reply