সারাদেশে করোনা আতঙ্ক, সিরাজগঞ্জে বিদ্যুৎ অফিসে ভিড়

|

সারাদেশের লোকজন যখন করোনা আতঙ্কে ঘরে, তখন সিরাজগঞ্জে নেসকোর গ্রাহকরা ভিড় করছেন বিদ্যুৎ অফিসে। কারণ অনেকের বাড়িতে বিদ্যুৎ নেই। করতে পারছেন না রিচার্জও। উল্টো বলা হচ্ছে, প্রি-পেইড বদলে পোস্ট-পেইড মিটার লাগানোর কথা। এতে খরচও লাগবে প্রায় পনেরশ টাকার মতো।

সবকিছু বন্ধের সরকারি নির্দেশনার এ সময়ে এ খরচ বহন করা অনেকের জন্যই কষ্টসাধ্য। সিরাজগঞ্জ শহরে অনেকেই ভিড় করছেন বিদ্যুৎ অফিসে। কারণ, ব্যালেন্স শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেকের বাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন। অফিস থেকে বলা হচ্ছে, ভেন্ডিং মেশিন নষ্ট তাই রিচার্জ করার সুযোগ নেই।

নর্দান ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি, নেসকো’র অফিসে তেমন কোনো লোক নেই, গ্রাহকদের সদুত্তর দেয়ার মতো। শুধু বলা হচ্ছে, প্রিপেইড মিটার বদলে পোস্টপেইড মিটার নেয়ার কথা। তাতে উল্টো খরচও লাগবে প্রায় পনেরশ টাকার মতো। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে সবকিছু বন্ধের এই সময়ে অনেকের জন্য এই টাকা অতিরিক্ত বোঝা।

সিরাজগঞ্জ স্বার্থরক্ষা সংগ্রাম কমিটির লোকজনের মতে, পল্লী বিদ্যুৎ বিভিন্ন ধরনের চার্জ আরোপ করে অতিরিক্ত টাকা নিতে পারে গ্রাহকের কাছ থেকে। প্রিপেইড মিটারে নেসকো সে সুযোগ না পাওয়ায় অতিরিক্ত টাকা নেয়ার পথ খুঁজছে তারা।

নেসকোর কর্মকর্তারা বলছেন, কেউ আপাতত পোস্টপেইড মিটার নিতে না চাইলে সরাসরি সংযোগ দেয়া হবে। তবে বিল করা হবে ধারণা থেকে। সিরাজগঞ্জে নেসকোর গ্রাহকসংখ্যা প্রায় ১৪ হাজার।





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply