অবরুদ্ধ সময় কাটানোর সেরা ১০টি টিপস

|

বিশ্বব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের আতঙ্কে রয়েছে গোটা দেশ। লকডাউন করা হয়েছে দেশের বিভিন্ন এলাকা। সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী সকল মানুষের সময় কাটাতে হচ্ছে নিজের ঘরে। কিন্তু সময় কিভাবে কাটবে? অবরুদ্ধ সময় কাটানোর সেরা ১০টি টিপস জেন নিন এখনই-

১. তালিকা তৈরি করুন: টানা এই ছুটির দিনগুলো কীভাবে কাটাবেন তা নির্ভর করবে আপনার উপরে। ওয়ার্ক ফ্রম হোম থাকলে তো সময় মত কাজ করতেই হবে। তাই সময়টা ভালো কাটাতে একটা তালিকা করে ফেলুন।

২. বই পড়ুন: বইয়ের থেকে ভালো বন্ধু আর কে হতে পারে? হোক সেটা গল্পের বই কিংবা অ্যকাডেমিক। আর পড়ার অভ্যাস থাকলে তো কথাই নেই।

৩. ভাষা শিখুন: মাতৃভাষার বাইরে অন্য ভাষা জানাটা একটা আলাদা অর্জন। আর ভাষা জানা থাকলে আপনার তত বেশি সুযোগ আসবে। তাই এই অবসর সময়ে নিজের পছন্দসই কিছু ভাষা শিখতে পারেন।

৪. ঘর গোছানো: নানান ব্যস্ততার কারণে আমরা আমাদের বাসস্থানটিকে সঠিকভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রাখতে পারি না। সেক্ষেত্রে এই সময়টা বেশ কাজের বলতে পারেন। ঘরকে জীবাণুমুক্ত করতে রোজ ঘর পরিষ্কার করতে পারেন।

৫. ব্লগ লিখুন: অবসর এই সময়টা পার করতে ব্লগ লেখা শুরু করে দিন। এর মাধ্যমে কোনও বিষয় নিয়ে নিজের অভিমত প্রকাশ করুন। পছন্দসই কবিতা, গল্প ইত্যাদি লিখে ব্লগে পোস্ট করুন। সাথে পরিচিতিও পেয়ে গেলেন।

৬. পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান: কাজকর্মের চাপে অনেকেই নিজের পরিবারের দিকে মন দিতে পারে না। ফলে দুরত্ব বেড়ে যায় অনেক সময়ে। অবসরে সেরা সময় কাটানো যায় নিজের পরিবারের সঙ্গে।

৭. বিনোদন: প্রতিদিনই আমরা মোবাইলে ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদি স্ক্রল করে থাকি। তবে, এই অবসরে এগুলি ছেড়ে বাড়িতে বসেই পরিবারকে নিয়ে দেখুন সিনেমা। কিংবা পরিবারের সবাইকে নিয়ে করতে পারেন গানের আসর।

৮. শরীরচর্চা: সময় কাটানোর বেশ ভালো একটা উপায় হলো শরীরচর্চা। এতে শরীরও ভালো থাকবে সেইসাথে সময়ও কাটবে।

৯) গার্ডেনিং: বাগান করতে পারেন এই সময়ে। ঘরের ব্যালকনিতে টবে লাগানো গাছ অথবা বাড়ির বাগানে থাকা গাছের পরিচর্যা নিন।

১০. রান্না করুন: ব্যচেলর জীবনে বাইরের কেনা খাবার খেয়ে দিন কাটাতে হয় বেশিরভাগ মানুষকে। কাজের চাপে বেশিরভাগ দিনই নিজের হাতে রান্না-খাওয়া হয়ে ওঠে না। আপনি যদি রান্না করতে ভালবাসেন তবে এই লকডাউনে বানিয়ে ফেলুন নতুন ধরনের কিছু খাবার অথবা নিজের পছন্দের কিছু খাবার।





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply