বাংলাদেশের কাছে স্মৃতিময় সেই মাঠ এখন লকডাউন অমান্যকারীদের বন্দিশালা

|

করোনা সতর্কতার অংশ হিসেবে গোটা ভারতজুড়েই চলছে লকডাউন। যারা লকডাউন মানছেন না তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন। পাঞ্জাবের চণ্ডীগড়ে লকডাউন অমান্যকারীদের স্টেডিয়ামে বন্দি করে রাখার অভিনব সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেখানকার পুলিশ।

সেক্টর-১৬ নামের এই মাঠে প্রশিক্ষণ দিতেন ভারতের ক্রিকেট কিংবদন্তি কপিল দেব। বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নুও এই মাঠে একটি ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এই মাঠে খেলার অভিজ্ঞতা আছে আরেক সাবেক প্রধান নির্বাচক ফারুক আহমেদেরও। ১৯৯০ সালের ২৫ ডিসেম্বর ভারতের বিপক্ষে এ মাঠেই খেলেছিলেন ৫৭ রানের ইনিংস। ভারতের মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে ছিল সেটি। করোনাভাইরাসের কল্যাণে স্মৃতিময় এই স্টেডিয়ামই কিনা হয়ে গেলো লকডাউন ভাঙাদের কারাগার!

চণ্ডীগড়ের এই স্টেডিয়ামে খেলেই কিংবদন্তি কপিল দেব। এ মাঠ ক্রিকেটার বানিয়েছে যুবরাজ সিং, হরভজন সিংদের। নব্বইয়ের পাঞ্জাব ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন মোহালির নতুন স্টেডিয়ামে চলে যাওয়ার পর অবশ্য এর গুরুত্ব অনেকটাই কমে যায়।

বুধবার থেকে গোটা ভারতে শুরু হয়েছে ২১ দিনের লকডাউন। এর মধ্যেও আইন অমান্যের ঘটনা ঘটছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর পাঞ্জাব পুলিশ তাই তড়িঘড়ি করে এই স্টেডিয়ামকে বানিয়েছে বন্দিশালা।









Leave a reply