শপিং মল, রেস্তোরাঁ, ক্যাফে বন্ধ করে হাসপাতাল নির্মাণ করছে অনেক দেশ

|

করোনায় আক্রান্ত হাজার হাজার রোগীর চাপ সামলাতে লাসবহুল আবাসিক হোটেল, রেস্তোরাঁ, ক্যাফে বন্ধ করে রাতারাতি অস্থায়ী হাসপাতাল নির্মানের দিকে ঝুঁকছে বিভিন্ন দেশ। যুক্ত করা হয়েছে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম। নামানো হয়েছে সেনাবাহিনীও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে চীনকে অনুসরণের আহ্বান বিশেষজ্ঞদের।

কয়েক দিনের ব্যবধানে স্পেনের জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ এখন পরিণত হচ্ছে হাসাপাতালে। প্রতি ঘন্টায় মৃত্যুর মিছিল বাড়তে থাকায় চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে প্রতিটি দেশ। তৈরি করা হচ্ছে আস্থায়ী বহু হাসপাতাল। এ জন্য বেছে নেয়া হচ্ছে কমিউনিটি সেন্টার, আবাসিক হোটেল, ক্যাফে গুলোকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিনকে দিন এতোটই বৃদ্ধি পাচ্ছে যে, হাসপাতাল গুলোতে ঠাই মিলছে না বেশির ভাগ রোগীর। সবার চিকিৎসা নিশ্চিতে এর বিকল্প নেই এখন।

ইরানে শপিং সেন্টার খালি করে তৈরি করা হয়েছে বিশেষায়িত হাসপাতাল। ভেন্টিলেশনসহ আধুনিক সরঞ্জামের পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে আইসিইউ ব্যবস্থা।

ইরানের শপিং মল ইরান মলের প্রধান আলি আনসারি বলেন, চীন এক সপ্তাহের মধ্যে বিশেষায়িত হাসপাতাল তৈরি করে দেখিয়েছে। যা ইরানসহ বিশ্বের সব দেশের জন্য শিক্ষনীয়। চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আমরাও অস্থায়ী হাসপাতাল নির্মাণ করছি। বৈশ্বিক এই সংকটে আমাদের সবার উচিৎ আগেভাগে সব প্রস্তুতি নিয়ে রাখা।

ইউরোপের দেশে ফ্রান্সে করোনা ভাইরাসের রোধে এক রকম যুদ্ধ ঘোষণা করেছে ম্যাকরন সরকার। অস্থায়ী হাসপাতাল নির্মাণসহ সব ধরণের সহযোগিতায় রীতিমত মাঠে নেমেছে সেনা বাহিনী। ভবনের পাশাপাশি খোলা আকাশের নীচেও তৈরি করা হচ্ছে সেবাকেন্দ্র।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরন বলেন, আগামী ৮ দিন থেকে ১ মাস পর্যন্ত খুবই চ্যালেঞ্জিং সময় আমাদের জন্য। এই সময়ের মধ্যে প্রত্যেক নাগরিককের দায়ীত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী যে সব সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে তার বাস্তবায়নে সমন্বয় এবং সহযোগিতা প্রয়োজন।

ভাইরাসটির উৎপত্তিস্থল চীনের সীমান্ত ঘেষা রাশিয়ায় এখনও ভয়াবহ আকার ধারণ করেনি কোভিড নাইটিন। তবুও দেশটিতে প্রস্তুতির শেষ নেই। বিশেষায়ীত হাসাপাতাল নির্মাণে চলছে বিশাল কর্মযজ্ঞ।





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply