ঢাকায় করোনায় মৃতদের দাফন খিলগাঁও-তালতলা কবরস্থানে

|

নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীতে কেউ মারা গেলে খিলগাঁও-তালতলা কবরস্থানে দাফনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন। বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) স্বাস্থ্য বিভাগের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে উত্তরের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোমিনুর রহমান মামুন জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘ঢাকায় কেউ করোনাভাইরাসে মারা গেলে তাদের তালতলা কবরস্থানের একটি অংশে সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় দাফন করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দুই সিটির দু’জন সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা তালতলা কবরস্থান পরিদর্শন করে জানাবেন ঠিক কোন স্থানে দাফন করা যাবে।’ বিশ্বে মহামারীর রূপ পাওয়া নভেল করোনাভাইরাসে বাংলাদেশে প্রথম একজনের মৃত্যু হয় বুধবার। বিদেশ ফেরত এক ব্যক্তির সংস্পর্শে আসায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন সত্তর বছরের ওই বৃদ্ধ। আইইডিসিআর’র তথ্যমতে, ওই ব্যক্তির আগে থেকেই সিওপিডি (ফুসফুসের ক্রনিক রোগ), ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ ও কিডনি জটিলতা ছিল। এছাড়া হৃদযন্ত্রে একবার স্টেন্টিংও হয়েছিল। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র জামাল মোস্তফার সভাপতিত্বে সভায় বিদেশ ফেরতদের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়। এ ছাড়াও ডিএনসিসির কমিউনিটি সেন্টারগুলোয় জনসমাগম যাতে না হয়, এজন্য আপাতত উৎসব-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে। সভায় সরকারের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) প্রতিরোধ ও মোকাবেলায় একটি কমিটি গঠন করে ডিএনসিসি। এ কমিটি দেশে নভেল করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সচেতনতা সৃষ্টি, প্রয়োজনে কোয়ারেন্টিনসহ আর্থিক ও লজিস্টিক সহায়তার বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ এবং যে কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ জাতীয় কমিটির পরামর্শ নেবে। ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলামকে সভাপতি এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মমিনুর রহমান মামুনকে সদস্য সচিব করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।









Leave a reply