ক্রিকেটাররা কেউ গ্রামের বাড়িতে কেউ ঢাকায়

|

দ্বিতীয় রাউন্ডের খেলা বন্ধ হওয়ার পর খেলোয়াড়রা ঠিক বুঝতে পারছিলেন না পরিস্থিতি কোনদিকে গড়াচ্ছে। অনুমান করছিলেন, খেলা সহসা শুরু হচ্ছে না। কেউ ঢাকাও ছাড়তে পারছিলেন না। এখন তারা গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। আবার চিকিৎসা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার কথা মাথায় রেখে অনেকে ঢাকায়ই থাকতে চান।

সোমবার শেষ হয় ঢাকা লিগের প্রথম রাউন্ড। এরপর খেলা বন্ধ। বৃহস্পতিবার বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান জানিয়েছেন, দেশের সব ধরনের ক্রিকেট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ। ক্রিকেটাররাও দেশ-বিদেশের খবর রাখছেন। দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ক্রিকেটারদের আতঙ্কও বাড়ছে।

আবু জায়েদ বলেন, ‘এখন সত্যিই ভয় লাগছে। আগে এতটা ভয় লাগেনি। খেলা (ঢাকা লিগ) যখন হচ্ছে না তখন সিলেটেই চলে যাব।’ মেহেদী হাসান মিরাজ মনে করেন, আগে নিজের নিরাপত্তা। তিনি বলেন, ‘সবার আগে জীবন। এর থেকে বড় কিছু আর নেই। যদি বাঁচতে পারি, ক্রিকেট খেলতে পারব। সবাইকে নিরাপদে থাকার পরামর্শ দেব আমি।’

অনেকেই যখন গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন কুষ্টিয়ার মোহাম্মদ মিঠুন তখন ঢাকায় থাকাটাকেই নিরাপদ মনে করছেন। ফিটনেস ঠিক রাখার কাজটা করবেন তিনি। এই ডান-হাতি ব্যাটসম্যান বলেন, ‘বাড়ি যাব না এখন। কারণ চিকিৎসার দিক চিন্তা করলে ঢাকায় ব্যবস্থা ভালো। খেলা বন্ধ থাকলে তখন হয়তো বাসায় বসে ফিটনেস নিয়ে টুকটাক কাজ করতে হবে। এছাড়া কিছু করার নেই।’

মোস্তাফিজুর বাড়িতে ফিরবেন। খালেদ মাহমুদ, নাঈম হাসানরাও চলে যেতে পারেন। ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত ঢাকা লিগ শুরু হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। পরিস্থিতি খারাপ হলে আরও পেছাতে পারে।









Leave a reply