পরিবারের সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি উদযাপন করবো, তবে ঝুঁকিতে ফেলে নয়: প্রধানমন্ত্রী

|

জনকল্যাণ মাথায় রেখে ১৭ মার্চের মুজিববর্ষের মূল অনুষ্ঠান আপাতত না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, গতকাল পরিবারের সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি উদযাপন করবো। কিন্তু ঝুঁকিতে ফেলে নয়।

সোমবার সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মুজিববর্ষের উদযাপন সংক্ষিপ্ত ও পুনর্বিন্যস্ত করা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনারভাইরাসের কারণে অনেক দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান স্থগিত হয়েছে। আমন্ত্রিত অতিথিরা নিজ দেশের পরিস্থিতির কারণে আসতে পারছেন না।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাস নিয়ে আমাদের প্রস্তুতি আছে। বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরে প্রস্তুতি আছে। দেশে প্রভাব যাতে না পড়ে, তার ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমরা টিভিগুলোতে প্রচার করাচ্ছি। মানুষকে সচেতন করে যাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে তিনজন করোনা আক্রান্ত শনাক্তের পর বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বেশি লোকসমাগম হবে এমন অনুষ্ঠানগুলো পরে করা হবে। পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। যাতে কোনোভাবে সমস্যা না হয়, গতকাল পরিবারের সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। উদযাপন করবো। কিন্তু ঝুঁকিতে ফেলে নয়। জনকল্যাণ মাথায় রেখে মূল অনুষ্ঠান আপাতত না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, মুজিববর্ষের উদযাপনে বিশাল করে করার প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। করোনাভাইরাসের কারণে ২৬ মার্চ শিশুদের অনুষ্ঠানটিও বাতিল করেছি। অন্য অনুষ্ঠানগুলো করবো। ঢাকা ও টুঙ্গিপাড়া মিলে সংক্ষিপ্তভাবে ১৭ মার্চের অনুষ্ঠান করবো। বড় অনুষ্ঠানগুলো ধাপে ধাপে হবে। জনসমাগম হয়, এমন অনুষ্ঠানগুলো আপাতত স্থগিত করেছি। পরবর্তী তারিখ ঠিক করে আমরা উদযাপন করবো।

এদিকে গতকাল রবিবার রাতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানের পুনর্বিন্যাসের কথা জানান। বছরজুড়ে নানা আয়োজন থাকলেও সীমিত করা হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। ১৭ মার্চের সেই অনুষ্ঠানের আমন্ত্রিত বিদেশি অতিথিরাও আসছেন না। স্বাধীনতা দিবসে ২৬ মার্চের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান নিয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি বলে জানান তিনি।









Leave a reply