ইউএনও’র ফোন ক্লোন করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবি

|

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ উল আলমের সরকারি মুঠোফোন নম্বর ক্লোন করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের অফিস সহকারী মোহাম্মদ মোতাহার হোসেন সোমবার রাতে কসবা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, পুলিশ ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ উল আলমের সরকারি নম্বর ক্লোন করে গত সোমবার বিকালে কসবা উপজেলার কাইমপুর আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চন্দন চন্দ্র ভদ্রের মুঠোফোনে ফোন করে একটি চক্র। প্রধান শিক্ষককে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পরিচয় দিয়ে ওই চক্রটি জানায় আপনার বিদ্যালয়ে একটি ল্যাপটপ দেওয়া হবে। তার জন্য একটি বিকাশ নম্বরে নয় হাজার টাকা পাঠাতে বলে চক্রটি। ওই প্রধান শিক্ষক বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করেন। পরে বুঝতে পারেন কোনো একটি প্রতারক চক্র এ ফোন করেছেন।

এ ছাড়াও সম্প্রতি বিভিন্ন বিদ্যালয়ের কয়েকজন প্রধান শিক্ষককে একই কায়দায় ফোন করে টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই চক্রটির বিরুদ্ধে।

কাইমপুর আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চন্দন চন্দ্র ভদ্র বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সরকারি নম্বর ক্লোন করে ইউএনও পরিচয় দিয়ে তার বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ অনুমোদন হয়েছে বলে একটি বিকাশ নম্বরে ৯ হাজার টাকা পাঠানোর কথা বলে চক্রটি। বিষয়টি ওই প্রধান শিক্ষকের সন্দেহ হলে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানো হয়। পরবর্তীতে জানতে পেরেছি এটি একটি প্রতারক চক্র।

কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ উল আলম জানান, একটি প্রতারক চক্র তাঁর সরকারি নম্বর ক্লোন করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চাঁদা দাবি করছে জানার পর এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। প্রত্যেককে এ বিষয়ে সর্তক করা হয়েছে।

এই ব্যাপারে কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ লোকমান হোসেন বলেন, এ বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। ফোন নম্বরটি তদন্ত করে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা হবে।





সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply