কচুরিপানা থেকে তৈরি খাবারেরও ‘ফুড ভ্যালু’ তৈরি হতে পারে: সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী (ভিডিও)

|

এবার কচুরিপানা প্রসঙ্গ এসেছে জাতীয় সংসদের আলোচনায়ও। সোমবার সচিবালয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের ঠাট্টাচ্ছলে দেয়া এক বক্তব্য প্রচারের পর অনেকেই এটি নিয়ে মন্তব্য করছেন। মঙ্গলবার জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ এ প্রসঙ্গ তুলে পরিকল্পনামন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করেন। আর এর জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, দিন বদলাচ্ছে। হয়তো এমন একদিন আসবে দেখা যাবে কচুরিপানা থেকে এমন একধরনের খাবার তৈরি হবে যেটার ফুড ভ্যালু অনেক হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দিন বদলাচ্ছে। নতুন নতুন উদ্ভাবনী চিন্তা আসছে। ৪৫/৫০ বছর আগে ঢাকায় কচুর লতি খেতো না। এখন সেটি প্রয়োজনীয় এবং সুস্বাদু খাবার হিসেবে চালু আছে। আরেকটা ঘটনা বলতে চাই, আমরা চা খাই চায়ের পাতা দিয়ে। কিন্তু নতুন যে কনসেপ্ট আসছে বাজারে সেটি হলো পাটের পাতা থেকে চায়ের পাতার মতো করে তৈরি হচ্ছে ড্রিংকস। সেটা অনেক সুস্বাদুও। আগে, হইলো বলা হতো, এ আবার কেমন কথা! মাশরুম দেখলে অনেক সময় বলতো এটা হারাম খাবার। ব্যাঙের ছাতা। হয়তো এমন একদিন আসবে দেখা যাবে কচুরিপানা থেকে এমন একধরনের খাবার তৈরি হবে যেটার ফুড ভ্যালু অনেক হবে। সে জিনিসের অপেক্ষা আমরা করে থাকতে পারি।

এদিকে সংসদে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে একাধিক সদস্যের উদ্বেগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, উৎপাদনে স্বয়ংসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দাম নিয়ন্ত্রণ কঠিন।

ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করার কথা উল্লেখ করে, স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত কোম্পানি সংশোধন বিল-২০২০ বিবেচনার জন্য উত্থাপন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। আপত্তি জানান বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য। তারা বলেন, মৌলিক ইস্যুর সমাধান না করে এই বিল পাস যৌক্তিক হবে না।

বিলটি পাসের আগে দুর্নীতি আর অর্থ-পাচার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন বিএনপির এমপি রুমিন ফারহানা। এর প্রেক্ষিতে মন্ত্রী জানান, অর্থ-পাচার শুরুই হয়েছিলো বিএনপির আমলে। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি সংসদে পাস হয়।









Leave a reply