করোনাভাইরাসে থমকে যাচ্ছে চীনের সঙ্গে আমদানি বাণিজ্য

|

করোনাভাইরাসে থমকে যাচ্ছে চীনের সঙ্গে আমদানি বাণিজ্য। চীন থেকেই আমদানি হয়, দেশের সিংহভাগ রফতানি আয় অর্জনকারী খাত, তৈরি পোশাক শিল্পের কাঁচামাল। কিন্তু সরবরাহ বন্ধ থাকায় ব্যাহত হবে রফতানি বাণিজ্য। চীন নির্ভরতায় হুমকিতে মোবাইল ফোন সেটের উৎপাদনও।

বছরে বাংলাদেশে বিক্রি হয় সাড়ে তিন কোটি মোবাইল ফোন সেট। অর্থাৎ প্রতি মাসে ফোনের চাহিদা ২৫ থেকে ৩০ লাখ। চাহিদার ৪০ শতাংশ ফোনই উৎপাদন হয় বাংলাদেশে, কিন্তু কাঁচামালের প্রধান উৎস চীন। করোনা ভাইরাসে মোবাইলের যন্ত্রাংশ আমদানি বন্ধ থাকায়, ঝুঁকিতে উৎপাদন। চীনের অনিশ্চয়তায় বিনিয়োগ নিয়ে তৈরী হয়েছে হতাশা।

সাময়িকভাবে সংকট সামাল দেয়া সম্ভব হলেও, দীর্ঘদিন আমদানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলে বাড়বে ক্ষত।

এদিকে সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়বে পোশাক খাত। প্রায় ৭০ শতাংশ কাঁচামাল চীন থেকে এনে উৎপাদন হয় পোশাক, যা রফতানি করেই সমৃদ্ধ হয় বাংলাদেশের অর্থনীতি। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে রফতানি বাণিজ্যও টালমাটাল অবস্থা।

রফতানি খাতে উৎপাদন ব্যাহত হলে বাড়বে বেকারত্ব। কমতে পারে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি’র প্রবৃদ্ধি। সময় এবং মূল্য বিবেচনা করে পণ্যের বিকল্প উৎস খুঁজে বের করাই এখন বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জ।









Leave a reply