ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের যত সামরিক ঘাঁটি

|

মার্কিন হামলায় ইরানী জেনারেল কাসেম সোলায়মানির পর আলোচনায় দুই দেশের সামরিক সক্ষমতা এবং রণকৌশল। গেল কয়েক দশক ধরেই মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সামরিক ঘাঁটি গেড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আর উপসাগরীয় এলাকায় নিজেদের উপস্থিতি বাড়ানোর প্রধান কারণ, ইরানকে চাপে ফেলা।

ইরানকে ঘিরে থাকা মধ্যপ্রাচ্যের ১১ দেশে ৩০টি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। সেনা, নৌ ও বিমানঘাঁটি থেকে এসব সামরিক অবস্থান থেকে সহজেই হামলা করা সম্ভব ইরানে।

বাহরাইনের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে মোতায়েন করা আছে প্রায় ৭হাজার মার্কিন সেনা। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান নৌঘাটিও দেশটিতে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সবগুলো সামরিক ঘাঁটির মূল লক্ষ্যই ইরান। ১১টি দেশে ৩০টির বেশি ঘাঁটি রয়েছে। যেখানে রয়েছে ৭০ হাজারের বেশি সেনা। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি নৌ এবং বিমান ঘাটি রয়েছে এসব দেশে। যেকোনো মুহুর্তে ইরানে আক্রমনের প্রস্তুতি রয়েছে এসব ঘাঁটিগুলোর। বিমান এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য সে অনুযায়ী সেনা মোতায়েন করা আছে এসব দেশে।

মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বেশি মার্কিন সেনা রয়েছে কুয়েত ও কাতারে, ১৩ হাজার করে। ইরানের সাথে সমুদ্রসীমা থাকায়, কৌশলগতভাবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দেশদুটির নৌ ঘাঁটি। মার্কিন রণতরী এবং যুদ্ধজাহাজ নিয়ে এই অঞ্চলে চলে নিয়মিত টহল।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ঘনিষ্ট মিত্র সৌদি আরবে রয়েছে ৫টি ঘাটি। যেখানে বর্তমানে মোতায়েন আছে প্রায় ৩ হাজার সেনা। সংযুক্ত আরব আমিরাতে রয়েছে ৫ হাজার। স্থলসীমা থাকলেও সমুদ্রসীমা এবং ক্ষেপণাস্ত্রের আওতার কারণেই গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে দেশ দুটি। জর্ডানে রয়েছে ৩ হাজার সেনা।

তবে স্থলসীমা থাকা ইরাক ও আফগানিস্তান এই দুই দেশের ঘাঁটিতে রয়েছে ২০ হাজারের বেশি সেনা। গোলন্দাজ বাহিনীর সবচেয়ে শক্তিশালী অংশও মোতায়েন রয়েছে এই দেশ দুটিতে। যার লক্ষ্য স্থল অভিযান পরিচালনা করা।

চারপাশে মার্কিন সেনা ঘাঁটি থাকা ইরান তার সামরিক কৌশল নির্ধারণ করেছে সেই অনুযায়ীই। আক্রমণ ঠেকাতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি, হামলার বিভিন্ন পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং সাবমেরিন ইরানের মূল অস্ত্র।









Leave a reply