বিপিএল: রান বন্যার চট্টগ্রাম পর্ব

|

বিপিএলের ঢাকা পর্বে প্রত্যাশিত বিগ স্কোরিং ম্যাচের দেখা মেলেনি। কিন্তু চট্টগ্রাম পর্বে ছিল রান বন্যা। টুর্নার্মেন্টের ইতিহাসে দ্বিতীয় সেরা স্কোর ২৩৮ রান দেখেছে চট্টগ্রামের দর্শকরা। তাও আবার স্বাগতিকদের কাছ থেকে। ওই ম্যাচে কুমিল্লা ২২২ রান করায় বিপিএলের ইতিহাসে সর্বাধিক ৪৬০ রানের ম্যাচ দেখেছে দর্শকরা। স্বাগতিক চট্টগ্রাম ও ঢাকা প্লাটুনের আরেক ম্যাচেও হয়েছে চার শতাধিক রান।

জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ১২ ম্যাচে দাপট ছিলো বিদেশি ব্যাটসম্যানদের। চার ম্যাচে সর্বাধিক ২৩৫ রান করেছেন কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের ইংলিশ ব্যাটসম্যান দাউইদ মালান। তার গড় ১১৭.৫! দ্বিতীয় সেরা খুলনা টাইগার্সের রাইলি রুশো করেছেন ১৯৫ রান। চট্টগ্রামের লঙ্কান ওপেনার আভিস্কা ফার্নান্দো ১৫১, রাজাপাকশে ১৪৪ আর আন্দ্রে ফ্লেচার করেন ১৪১ রান।

চট্টগ্রামে হয়েছে দুটি সেঞ্চুরি। এবারের আসরের প্রথম সেঞ্চুরি করেন সিলেট থান্ডার্সের আন্দ্রে ফ্লেচার। খুলনার বিপক্ষে ১০৩ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন এই ক্যারিবিয়ান।

দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করেন দাউইদ মালান। কুমিল্লার এই ব্যাটসম্যান রাজশাহীর বিপক্ষে অরপাজিত ছিলেন ১০০ রান করে।

দেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে ছিল তরুণদের আধিপত্য। সবচেয়ে বেশি ১২৭ রান করেছেন ঢাকা প্লাটুনের তরুণ অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান। ঢাকার ছন্দ ধরে রেখেছেন মুশফিকুর রহিম। চট্টগ্রামেও ১২৬ রান করেন তিনি। ইমরুল কায়েসের ব্যাট থেকে এসেছে ১১৮, তরুণ আফিফও দেখিয়েছেন ঝলক। সেই সাথে পরিণত ব্যাটিং করেছেন লিটন দাস। এছাড়াও দুই ম্যাচে ৯৪ রান করেছেন তামিম ইকবাল।

বোলিংয়ে আধিপত্য ছিলো দেশি পেসার মেহেদী হাসান রানার। চার ম্যাচে ১২ উইকেট নিয়েছেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের এই ওপেনার। ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল নিয়েছেন ৮টি উইকেট। সমান ছয়টি করে উইকেট নিয়েছেন মুজিবুর রহমান ও ক্রিসমার সান্তোকি।









Leave a reply