আধুনিক যন্ত্রপাতি আর সমবায় পদ্ধতির চাষাবাদে কৃষকের লাভ বাড়বে ৬ গুণ: এলজিআরডি মন্ত্রী

|

বগুড়া ব্যুরো:

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, বর্তমান পদ্ধতির চাষাবাদে প্রতি একর জমিতে কৃষকের গড়ে চার হাজার টাকা লাভ আসে। কিন্তু আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে জমির আইল উঠিয়ে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদ করলে এই লাভের অঙ্ক ছয়গুণ বেড়ে যাবে।

মঙ্গলবার বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সমবায় ভিত্তিতে চাষ করা জমির ধান কাটা অনুষ্ঠানে এসে এসব তথ্য জানান মন্ত্রী।

বগুড়া পল্লী উন্নয়ন অ্যাকাডেমি-আরডিএ সম্প্রতি জমির আইল উঠিয়ে সমবায় ভিত্তিতে যান্ত্রিক চাষাবাদের একটি পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু করে শেরপুর উপজেলার চকপাথালিয়া এলাকার ৭৫৮ শতক জমিতে। ৪২ জন কৃষকের ওই ৬২টি কৃষি জমির প্লটে আইল উঠিয়ে সেখানে ধান চাষ শুরু হয়।

মঙ্গলবার সেই ধান কাটার আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম ও প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য।

আধুনিক যন্ত্রপাতির সহায়তায় ধান কাটার উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, বর্তমান একজন কৃষক এক জমিতে ফসল চাষ করে চার হাজার টাকার মতো লাভবান হন। কিন্তু কৃষকরা সমবায়ের ভিত্তিতে এবং বর্তমান পদ্ধতি বদলে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে চাষাবাদ করলে একরপ্রতি চব্বিশ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভবান হবেন।

সমবায় পদ্ধতির চাষাবাদ ব্যবস্থার ফলাফল জানতে এই পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিলো। এই পদ্ধতিতে ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকরা চাইলে এ ব্যাপারে কৃষি প্রণোদনার সুযোগ রাখা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।









Leave a reply